প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ২৫০ কিলোমিটার এলাকায় এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ক্যামেরার নজরদারি শুরু হলে একের পর এক ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের চিত্র ধরা পড়তে থাকে। চালুর মাত্র সাত ঘণ্টার মধ্যে এআই ক্যামেরার মাধ্যমে ৪২৯টি মামলা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সময়ে এআই ক্যামেরা বিভিন্ন ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত করে এই সব মামলা করা হয়। আজ বুধবার হাইওয়ের কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক এআই ক্যামেরার নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। মহাসড়কের ৪৯০টি পয়েন্টে এক হাজার ৪২৭টি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এই ক্যামেরাগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে যানবাহনের নম্বর প্লেট শনাক্ত করার সক্ষমতা রাখে। অতিরিক্ত গতি, নির্ধারিত লেন না মানা, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, উল্টো পথে চলাচল ও অবৈধ পার্কিংসহ বিভিন্ন ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন শনাক্ত হলে সাথে সাথে ডিজিটাল মামলা দেওয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের মোবাইল নম্বরে মামলা সংক্রান্ত বার্তা পাঠানো হচ্ছে। এআই ক্যামেরার মাধ্যমে চালুর পর মোট ৪২৯টি মামলা করা হয়েছে।
এই বিষয়ে হাইওয়ের কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহিনুর আলম বলেন, এখন থেকে মহাসড়কে নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম, অবৈধ পার্কিং, উল্টো পথে যানবাহন চালানোসহ অন্যান্য ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আশা করেন, এতে মহাসড়কে শৃঙ্খলা বাড়বে এবং দুর্ঘটনা কমবে। মূলত মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরানোই আমাদের মূল লক্ষ্য।
এর আগে, গত শনিবার হাইওয়ে পুলিশের সদর দফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ১৮ আগস্ট থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নির্ধারিত গতিসীমা অতিক্রম (ওভারস্পিড), অবৈধ পার্কিং, উল্টো পথে যানবাহন চালানোসহ অন্যান্য ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই ব্যবস্থার আওতায় আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এআই ক্যামেরার মাধ্যমে আইন অমান্যকারী যানবাহন শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা দেওয়া হবে। এই মামলার তথ্য যানবাহনের নিবন্ধিত মালিকের মোবাইলে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে পাঠানো হবে। মামলা তথ্য পাওয়ার পর, আইন অমান্যকারী যানবাহনের মালিকরা নির্ধারিত মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতিতে (বিকাশ, নগদ ইত্যাদি) জরিমানার টাকা পরিশোধ করতে পারবেন। ওই বিজ্ঞপ্তির আলোকে গতকাল থেকে এআই ক্যামেরার নজরদারি শুরু হলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন