প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাথর আমদানিনির্ভর পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানির পাশাপাশি ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে রফতানিও।
এই বন্দরটি দিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন ইউত্পাদিত পণ্য ভারতসহ প্রতিবেশী দেশগুলোতে রফতানি হচ্ছে। তবে এবার এই রফতানি তালিকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেপালে যাচ্ছে পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত সয়াবিন মিল।
বন্দর ব্যবহারকারীদের দাবি, আমদানির পাশাপাশি রপ্তানিযোগ্য পণ্যের পরিধি বাড়াতে সরকারি নীতিগত সহায়তা ও নতুন উদ্যোগ নেওয়া হলে যেমন বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে, তেমনি কয়েক গুণ বাড়বে সরকারের রাজস্ব আয়।
সরেজমিনে বন্দর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মহাসড়কজুড়ে পাথরসহ পণ্যবাহী ট্রাকের দীর্ঘ সারি। একদিকে ভিনদেশি ট্রাকে ভারত ও ভুটান থেকে বোল্ডার পাথর আমদানি হচ্ছে, অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে ভারত ও নেপালে রপ্তানি করা হচ্ছে বাংলাদেশী বিভিন্ন পণ্য। এতে বন্দর এলাকাজুড়ে ব্যাপক কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
জানা গেছে, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে প্রতিদিন দেড়শ থেকে দুইশ ট্রাকে পাথরসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্য আমদানি হলেও, এবার বন্দরটি রপ্তানিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বর্তমানে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন অর্ধশতাধিকের বেশি ট্রাকে ভারত ও নেপালে রপ্তানি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন কৃষিপণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, শিল্পের কাঁচামাল, খাদ্য ও পানীয় এবং ভোগ্যপণ্য। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেপালে রপ্তানি হচ্ছে পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত সয়াবিন মিল।
বন্দরের আমদানিকারক, রপ্তানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা বলছেন, বন্দরটি দিয়ে আমদানির পাশাপাশি আরও বিভিন্ন নতুন পণ্য রপ্তানির সরকারি অনুমোদন এবং সময়োপযোগী উদ্যোগ নেওয়া হলে রাজস্ব আয় কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাবে।
এদিকে বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের ম্যানেজার আবুল কালাম আজাদ বন্দরের বর্তমান চিত্র তুলে ধরে বলেন, 'গুরুত্বপূর্ণ এ বন্দরটি বিভিন্ন সময় নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়লেও বর্তমানে আমদানির পাশাপাশি মোট কার্যক্রমের ৬০ শতাংশের বেশি রপ্তানিকেন্দ্রিক হয়ে উঠেছে।'
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, পাথরসহ বিভিন্ন পণ্যের আমদানি-রফতানি থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রাজস্ব আদায় হয়েছিল ১৬৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। আর সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২৩০ কোটি ২৫ লাখ টাকার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রেকর্ড পরিমাণ অর্থাৎ ৪২৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২৫৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা বেশি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন