প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আফগানিস্তান পাকিস্তানে ড্রোন পাঠানোর দাবি সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করেছে। সংবাদমাধ্যম তোলোনিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আফগান সামরিক বাহিনী এখনও পর্যন্ত কোনো ড্রোন হামলা চালায়নি। তারা জানিয়েছে, পাকিস্তানের বিমান হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার সময় এবং পদ্ধতি তারা নিজেদের মতো করে নির্ধারণ করবে।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, কোহাত ও তোরখাম সীমান্তের নিকটে আফগানিস্তান থেকে আসা ৮টি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করার দাবি করেছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। তারা দাবি করেছে, সাম্প্রতিক হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে এবং নিজেদের সীমান্ত সুরক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক আব্দুল নাসির শফিক মন্তব্য করেছেন, “পাকিস্তান দীর্ঘকাল ধরে অন্যদের ইশারায় আফগানিস্তানের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার চেষ্টা করে আসছে। নিজেদের অর্থনৈতিক ও আর্থিক চাহিদা পূরণের জন্য তারা অন্য কোনো দেশের এজেন্ট হিসেবে এই মিশন গ্রহণ করতে পারে।”
এদিকে, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এমন বর্বর হামলার পর জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরব ভূমিকা নিয়ে বিশ্লেষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিশ্লেষক মইন গুল সামকানি বলেছেন, “পাক্তিকা ও কুনারে হামলা চালিয়ে পাকিস্তান আবারও ক্ষমা অমার্জনীয় অপরাধ করেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের উচিত এ বিষয়ে পাকিস্তানকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।”
গত সোমবার ভোর ৩টার দিকে পাকিস্তানি বাহিনী কুনার ও পাক্তিকা প্রদেশে আকস্মিক বিমান হামলা চালায়। এই হামলায় ৩ জন নিহত এবং ৪ জন আহত হন। আফগানিস্তান ইতিমধ্যে এই ঘটনার উপযুক্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন