প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ১ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানাচ্ছেন, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানো কঠিন হয়ে পড়ার কারণে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। খবর আনাদোলুর।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সিবিএস নিউজকে খানাল জানিয়েছেন, পুরো গ্রাম, শহর ও জলবিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ফলে তিনি ‘নিশ্চিতভাবেই’ আশঙ্কা করছেন যে প্রাণহানির সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে।
বন্যা ও ভূমিধসের কারণে নেপালের উত্তরের দুর্গম জেলা নুয়াকোটে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বন্যার পানিতে সড়ক ও সেতু সম্পূর্ণরূপে ভেসে যাওয়ায় অনেক এলাকার সঙ্গে দেশের অন্যান্য অংশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিচ্ছিন্ন জনপদগুলোতে পৌঁছানোর প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে হেলিকপ্টার।
গত ২৬ আগস্ট নেপাল-চীন সীমান্ত এলাকায় এই ভয়াবহ দুর্যোগ আঘাত হানে। এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় ৪ হাজার ৭৫৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৫৪১ জন চীনের নাগরিক।
খানাল জানিয়েছেন, দুর্গত এলাকায় উদ্ধারকারী দল মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো ধরনের পার্থক্য না করে কাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দা কিংবা বিদেশি নাগরিক—সবাইকে সমান গুরুত্ব দিয়ে উদ্ধার ও সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
দুর্যোগের ফলে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলগুলোর বহু জনপদ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় উদ্ধারকারীদের সামনে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দ্রুত দুর্গত মানুষের কাছে পৌঁছানো এবং নিখোঁজদের সন্ধান করা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন