প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজার বিভিন্ন স্থানে ইসরাইলি হামলার ফলে অন্তত তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। এসময় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। উপত্যকার দেইর আল-বালাহ এলাকায় নেতানিয়াহু বাহিনী একটি গাড়িকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালায়। এতে আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ইসরাইলের দাবি হচ্ছে, হামাস যোদ্ধাদের লক্ষ্য করেই এসব হামলা কার্যকর করা হচ্ছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ জুন) মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকায় বিমান হামলার ঘটনাটি ঘটে। হামলার ফলে একটি গাড়ি লক্ষ্যবস্তু হিসেবে শনাক্ত হয়।
স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, এই হামলায় বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। বিস্ফোরণের ফলে গাড়িটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায় এবং পরবর্তীকালে স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়াতেই মানুষ নিরাপদ স্থানে সরে যান।
একই দিনে, কাছাকাছি জাওয়াইদা শহরে আরেকটি হামলার ফলে কয়েকজন হতাহত হওয়ার খবর দিয়েছেন স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ইসরাইলি গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হন। বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক হামলার ফলস্বরূপ সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা আরো বেড়েছে।
ইসরাইলি বাহিনী এসব ঘটনার ব্যাপারে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবুও, তারা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে যে, গাজায় হামাস যোদ্ধাদের লক্ষ্য করেই তাদের অভিযানগুলি পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, হামলা চালিয়ে বেসামরিক নাগরিকদেরকেই লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।
উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে এটি থমকে গেছে। ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপের চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে তা অচলাবস্থায় রয়েছে। যেখানে অস্ত্র সমর্পণ ও সেনা প্রত্যাহারের বিষয়গুলো প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। বর্তমান অবস্থায় গাজার একটি বড় অংশ ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং সংঘাত এখনও পুরো অঞ্চলে বিস্তৃত রূপে চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন