প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি গভীর অনুভূতির কথা ব্যক্ত করেছেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী। নবীজির অসীম ভালোবাসা ও উম্মতের প্রতি তার ব্যাকুলতার স্মৃতি স্মরণ করে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে মিজানুর রহমান আজহারী লিখেছেন, “আপনাকে কী করে ভালো না বেসে থাকতে পারি, ইয়া রাসুলাল্লাহ? আপনি তো আমাকে না দেখেও ভালোবেসেছিলেন সেই ১৪০০ বছর আগে। অশ্রুসিক্ত নয়নে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করেছিলেন। আসন্ন সে বিভীষিকাময় দিনে আমার জন্য পেরেশান হয়ে ‘উম্মাতি উম্মাতি’ বলে কাঁদবেন। মাকামে মাহমুদে সিজদায় লুটিয়ে পড়ে আমার মুক্তির জন্য আকুতি জানাবেন। কী করে আপনাকে ভালো না বাসি, ইয়া রাসুলাল্লাহ?”
উম্মতের প্রতি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর গভীর মমত্বের কথা তুলে ধরতে গিয়ে আজহারী মূলত সহিহ হাদিসের একটি প্রসংগ টেনেছেন। হাদিসে এসেছে, নবীজি (সা.) তার মৃত্যুর পর আগমনকারী উম্মতকে নিজের ‘ভাই’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন।
সহিহ মুসলিমে বর্ণিত আবু হুরায়রা (রা.)-এর এক হাদিস থেকে জানা যায়, রাসুলুল্লাহ (সা.) একদা জান্নাতুল বাকিতে গিয়ে উপস্থিত হন এবং মৃতের উদ্দেশ্যে সালাম জানানোর পর বলেন, ‘আমরা আশা করি, আমাদের ভাইদের দেখতে পাব।’ তখন সাহাবিরা প্রশ্ন করেন, তারা কি তার ভাই নন? উত্তরে রাসুল (সা.) জানান, উপস্থিত সবাই তার সাহাবি, আর তার ভাই হবেন তারা—যারা পরে দুনিয়ায় আগমন করবেন।
হাদিসে আরও উল্লেখ আছে, কিয়ামতের ময়দানে অজু করার কারণে উম্মতের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ শুভ্র উজ্জ্বল আলো ছড়াবে, যা দেখে মহানবী (সা.) তার অনুসারীদের সহজেই চিনে নেবেন এবং তাদের হাউজে কাউসারে স্বাগত জানাবেন। পবিত্র দিনে মহানবীর (সা.) এই অসীম দয়ার কথাই ভক্ত ও অনুসারীদের স্মরণ করিয়ে দেন এই আলেম।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন