প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এ ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় ৬৬ দিন পর পুলিশ গ্রেফতার করেছে নিহতের কথিত প্রেমিক সাঈদ মেহেদী (২৪)। মৃত্যু ঘটনার পর, আজ শনিবার ভোরে পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার খলিশাখালী এলাকার একটি মাছের ঘের থেকে সাঈদ মেহেদীকে গ্রেফতার করে।
আজ শনিবার বিকেলে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। গ্রেফতার হওয়া সাঈদ মেহেদী দেবহাটা উপজেলার ঢেপুখালী গ্রামের মোসলেম গাজীর সন্তান।
পুলিশ জানিয়েছে, ক্লু লেস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। অবশেষে সাতক্ষীরা থেকে মামলার একমাত্র আসামি সাঈদ মেহেদীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর আজ মেহেদীকে ঝিনাইদহের একটি আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে অভিযুক্ত সাঈদ মেহেদী হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রোকনুজ্জামান জানান, গত ১৩ মে ঝিনাইদহ শহরের পাগলাকানাই এলাকার সায়াদাতিয়া সড়কের একটি ভাড়া বাসা থেকে খুশি খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকেই আসামি পলাতক ছিল। কোনো প্রত্যক্ষ সূত্র না থাকায়, পুলিশের তদন্ত টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে সাঈদ মেহেদীকে গ্রেফতার করে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে সাঈদ মেহেদী হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। পাশাপাশি, খুশি খাতুনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলেও স্বীকার করেছেন। প্রেমের সম্পর্কের সূত্রধরে, খুশি খাতুন ও সাঈদ মেহেদী স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে ঝিনাইদহ শহরের সায়াদাতিয়া সড়কের একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন