প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের প্রবীণ অভিনেতা মুস্তাক খানকে সহকর্মী ও ভক্তদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে চিরবিদায় জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মুম্বাইয়ে তাঁর শেষকৃত্যে চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। রাজপাল যাদব, সঞ্জয় মিশ্র, মনীশ ওয়াধওয়া, শাহজাদ খান, জায়েদ দরবার, সুনীল পাল ও অনীস বাজমি এ সময় শ্রদ্ধা জানান।
বৃহস্পতিবার মুস্তাক খান শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শারীরিক জটিলতা দেখা দেওয়ার কারণে তাঁকে নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর শরীরে ক্যানসার শনাক্ত হয়। চিকিৎসা চললেও ধীরে ধীরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু ঘটে।
পরিবারের সদস্য, বন্ধু এবং সহকর্মীরা শেষ শ্রদ্ধা ও শেষকৃত্যে উপস্থিত হয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রে মুস্তাক খানের অবদান এবং দীর্ঘদিনের সহকর্মীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন।
মুস্তাক খানের ছেলে মোহসিন খান বলেন, তাঁর বাবা ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন এবং রোগটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল। প্রথমে ক্যানসারটি প্রথম পর্যায়ে ছিল, কিন্তু পরে এটি দ্রুত জটিল আকার ধারণ করে। এক পর্যায়ে এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে যে তাঁরা বিষয়টি বুঝে ওঠার আগেই অনেক দেরি হয়ে যায়। তবে শেষ সময়ে তাঁর বাবার মুখে হাসি ছিল।
বাবার সঙ্গে শেষ কথোপকরণের স্মৃতিচারণ করে মোহসিন বলেন, তখন মুস্তাক খান খুব খুশি ছিলেন এবং হাসছিলেন। তিনি বলেছিলেন, "এই পৃথিবীতে জন্ম নিয়ে আমি খুব আনন্দিত। জীবনে যে কাজ করেছি, আশা করি তা মানুষের কাছে পৌঁছেছে।"
মোহসিন জানান, মুস্তাক খানের বেশ কয়েকটি সিনেমা, টেলিভিশন ধারাবাহিক ও ওয়েব সিরিজ মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
মোহসিন জানান, মৃত্যুর এক দিন আগে রাজপাল যাদব হাসপাতালে গিয়ে তাঁর বাবার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তাঁকে দেখে মুস্তাক খান খুব খুশি হয়েছিলেন। অভিনেতা অনুপম খেরও ফোন করে সহানুভূতি ও অনুপ্রেরণামূলক কথা বলেছেন বলে জানান তিনি।
১৯৮০ সালে ‘আলবার্ট পিন্টো কো গুসসা কিয়ো আতা হ্যায়’ সিনেমার মাধ্যমে মুস্তাক খানের অভিনয়জীবন শুরু হয়। তিন দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারে তিনি বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘ওয়েলকাম’, ‘গদর: এক প্রেম কথা’ ও ‘হাম হ্যায় রাহি পেয়ার কে’।
‘ওয়েলকাম’ সিনেমায় তাঁর ‘মেরি এক টাং নাকলি হ্যায়, ম্যায় হকি কা বহুত বড়া প্লেয়ার হু’ সংলাপের দৃশ্যটি দর্শকদের কাছে এখনও জনপ্রিয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন