প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্বল্পআয়ের জনগণের রোগ প্রতিরোধ, ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ব্যয় (আউট-অব-পকেট এক্সপেনডিচার) কমানো এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম শুরু করেছে।
আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবন-১-এ আয়োজিত স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পিকেএসএফ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের।
তিনি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, টেকসই দারিদ্র্য বিমোচন, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং ক্ষুদ্র উদ্যোগের বিকাশের জন্য সুস্থ জনগণের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের উৎপাদনশীলতা ও আয় বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে তাদের সুস্বাস্থ্য অপরিহার্য। অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা ব্যয় অনেক পরিবারকে আর্থিক সংকটে ফেলে এবং উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ব্যয়ের হার বিশ্বের তুলনায় অনেক বেশি। এ ব্যয় কমাতে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি। সরকারের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও মাতৃস্বাস্থ্য সংক্রান্ত নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পিকেএসএফ এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরও জানান, পিকেএসএফ দীর্ঘদিন ধরে সহযোগী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি বিভিন্ন অ-আর্থিক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কর্মসংস্থান ও টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতে সুস্থ উদ্যোক্তা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সহযোগী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ খাতে ব্যয়কে তিনি ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে পিকেএসএফ’র ৩৯টি সহযোগী সংস্থার ৪৫৪টি শাখার মাধ্যমে প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের এ কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে। গর্ভবতী ও প্রসূতি মা, নবজাতক, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, কিশোর-কিশোরী, প্রজননক্ষম নারী, প্রবীণ ব্যক্তি এবং প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দিয়ে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। পর্যায়ক্রমে পিকেএসএফ’র সহযোগী সংস্থাগুলোর সব গ্রাহকের মধ্যে এ সেবা সম্প্রসারণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে পিকেএসএফ’র সহযোগী সংস্থাগুলোর প্রধান নির্বাহী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, এ প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জন এবং পিকেএসএফ’র কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন