প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম নিজের বাড়ি কেনার স্বপ্ন যে অনেকের জন্য এখন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে, তা বেশ স্পষ্ট। একটি নতুন প্রতিবেদনে দেখা যায়, একটি সাধারণ স্টার্টার হোম বা প্রথম বাড়ি কিনতে বর্তমানে একটি পরিবারের বছরে গড়ে প্রায় ৭৮ হাজার ডলার আয় প্রয়োজন। ২০১৯ সালের তুলনায় এই আয়ের প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে ৮০ শতাংশেরও বেশি।
রিয়েলটর ডটকমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাড়ির দাম বৃদ্ধি, উচ্চ সুদের হারে মর্টগেজ ঋণ এবং তুলনামূলক কম দামের বাড়ির সংকট—এই তিনটি কারণে প্রথমবারের ক্রেতাদের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কোন অঙ্গরাজ্যে অর্থকষ্ট সবচেয়ে বেশি, জানাল নতুন গবেষণা। রিয়েলটর ডটকমের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ হান্না জোন্স জানান, প্রথমবার বাড়ি কিনতে আগ্রহী অনেক মানুষ ইচ্ছার অভাবে বাজারের বাইরে নেই। বরং বর্তমান পরিস্থিতি তাদের জন্য বাড়ি কেনা বাস্তবসম্মত নয় বলেই মনে হচ্ছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় নতুন বাড়ি নির্মাণ বেড়েছে। এর ফলে সেখানে তুলনামূলকভাবে স্টার্টার হোমের সংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অনেক এলাকায় এখনো সাশ্রয়ী মূল্যের বাড়ির সংকট বিরাজমান। একই সঙ্গে বাড়ির দামও বাড়তে থাকার কারণে নতুন ক্রেতাদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।
আবাসন বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যদিও বাজারে নতুন বাড়ির সরবরাহ কিছুটা বাড়ছে, তবে উচ্চ সুদের কারণে অনেক পরিবার কাঙ্ক্ষিত ঋণ নিতে পারছে না। ফলে বাড়ি কেনার পরিকল্পনা পিছিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন বহু মানুষ।
যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন বাজারে গত কয়েক বছরে মূল্যস্ফীতি, নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি এবং মর্টগেজ সুদের হার বাড়ার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। এর ফলস্বরূপ বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও প্রথমবারের ক্রেতাদের জন্য বাড়ির মালিকানা আগের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন