শুক্রবার, ২৩শে জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
১২:২৫ এম
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও-হাতিরঝিল-শেরেবাংলা নগর) বিএনপি সমর্থিত কোদাল মার্কার প্রার্থী সাইফুল হক নির্বাচনি প্রচারণা শুরু করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে কাওরান বাজারের প্রগতি ভবনের সামনে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক এবং কোদাল মার্কার প্রার্থী সাইফুল হক তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, “গত ১৭ বছর ধরে এ দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য অপেক্ষা করছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটাতে হবে। যারা কালো টাকা ও পেশিশক্তি দিয়ে ভোটের বাক্স ভরতে চান তারা ভুলে যান সেসব পুরানো দিনের কথা।”
তিনি জনগণকে প্রতিশ্রুতি देते বলেন, “নির্বাচিত হলে আমি প্রতি ছয় মাস অন্তর প্রতিটি ওয়ার্ডে সাধারণ মানুষের সঙ্গে গণশুনানি করবো। মানুষের সুখ-দুঃখের কথা শুনে তৃণমূল থেকে প্রতিকারের ব্যবস্থা করা হবে।”
সাইফুল হক উল্লেখ করেন, ঢাকা-১২ আসন বর্তমানে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং মাদকের কারণে নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছে। যারা সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত, আগামী নির্বাচনে এই আসনের সচেতন জনগণ তাদের উপযুক্ত জবাব দেবে। আগামী নির্বাচন দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে যাচ্ছে।
তিনি বক্তব্যের শুরুতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
ঢাকা-১২ আসনের প্রধান সমন্বয়কারী ও সাবেক কাউন্সিলর আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিএনপি ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য আলহাজ এল রহমান, যুগ্ম সমন্বয়কারী আকবর খান, নারীনেত্রী বহ্নিশিখা জামালী, ড. মোশরেকা অদিতি হক এবং তেজগাঁও ও হাতিরঝিল থানা বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
সমাবেশের পর একটি বিশাল প্রচার মিছিল কারওয়ান বাজার ও নাখালপাড়া এলাকা প্রদক্ষিণ করে নাবিস্কো মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে একটি বাসার বাথরুমে বালতির পানিতে পড়ে ফারজানা আক্তার নামে এক বছরের একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কামরাঙ্গীরচর চান মসজিদ কসাই গলির একটি বাসায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। পরে শিশুটির স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ৮টার সময় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাসপাতালে শিশুটির মা ময়না আক্তার বলেন, তাদের বাড়ি লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা উপজেলার গেন্দুকরি গ্রামে অবস্থিত। শিশুটির বাবা ওমর ফারুক একটি রিকশা চালক। বর্তমানে তারা কামরাঙ্গীরচর চান মসজিদ কসাই গলির একটি চারতলার বাড়িতে ভাড়া থাকেন।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিশুটি তার নানী মর্জিনা বেগমের কাছাকাছি ছিল এবং খেলা করছিল। কিছুক্ষণ পর শিশুটি নানীর নজর এড়িয়ে রুম থেকে বের হয়ে যায়। যখন নানী তাকে খুঁজতে বের হন, তখন তিনি বাথরুমে পানি ভর্তি বালতির মধ্যে শিশুটিকে উপুড় হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন। সরাসরি সেখান থেকে তুলে তাকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, শিশুর মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অভিনয়ে একাধিকবার দুর্দান্ত প্রশংসা অর্জন করে ফেলেছেন রানি। তাঁর কণ্ঠস্বর ও কথার উপস্থাপন প্রায়শই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। বর্তমানে তাঁর কণ্ঠের অনেক ভক্ত রয়েছেন। কিন্তু অতীতের কথা বললে, তখন তাঁর কণ্ঠ নিয়ে এত উন্মাদনা ছিল না।
রানি মুখোপাধ্যায় প্রকাশ্যে কথোপকথনের সময় আবেগে ভেঙে পড়েন। বলিউডে তিনি ইতোমধ্যে ৩০ বছরের পথ চলে এসেছেন এবং এই সময়ে বিভিন্ন সফল সিনেমায় কাজ করেছেন। हाल ही में তাঁর ‘মর্দানি ৩’-এর প্রিভিউ ভক্তদের মুগ্ধ করেছে। তবে, তাঁর কর্মজীবনের শুরুর সময়ে কিছু কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল রানিকে। বিশেষ করে কণ্ঠের কারণে তাঁর বিরুদ্ধে তির্যক মন্তব্য করা হয়েছিল। কর্ণ জোহরের সঙ্গে আলাপের সময় সেই মুহূর্তগুলি মনে পড়লে, তাঁর চোখ থেকে অশ্রু গড়িয়ে আসে।
অভিনয়ে অনেক প্রশংসা পাওয়ার পরও রানির কণ্ঠ নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয়েছিল। এর ফলস্বরূপ, তাঁর ছবিতে ডাবিং হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। কর্ণ জোহরের প্রথম পরিচালিত ছবি ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এও রানির উপর চাপ ছিল যে তাঁর কণ্ঠের পেছনে অন্য কাউকে ব্যবহার করা হবে। কিন্তু কর্ণ এ নিয়ে কিছু বলেননি এবং রানির নিজস্ব কণ্ঠ দিয়ে ডাবিং করান। সেই স্মৃতি মনে করে, তিনি আবেগে আপ্লুত হন। কর্ণ রানির কপালে প্রেমময় চুম্বন দেন।
কথা বলার সময়, রানি উল্লেখ করেন যে তাঁর স্বামী, আদিত্য চোপড়া, বলেছেন যে রানির কণ্ঠ তাঁর খুব প্রিয়। চোখের জল মুছতে মুছতে রানি জানালেন, শুধু তাঁর জন্যই তিনি নিজের কণ্ঠকে অবিচলভাবে রাখতে পেরেছিলেন। কর্ণ আবারও বলেন, তিনি রানির কণ্ঠ উপভোগ করেন।
কর্ণ পুরোনো ঘটনাগুলি মনে করে বলেন, একজন প্রযোজক তাঁকে জানিয়েছিলেন, রানির কণ্ঠ বদলে ফেলতে হবে। কিন্তু কর্ণ এটি মেনে নিতে পারেননি। এজন্য রানির কাছে কর্ণ একটি গুরুত্বপূর্ণ জীবনের সঙ্গী হয়ে ওঠেন। আবেগময় এই সময়ে তিনি বলেন, “আজ আমরা এ সব বিষয় নিয়ে মজা করি। কিন্তু সেই দিনে রানির তরুণ পরিচালক হিসেবে চাপের মধ্যে অন্য সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ ছিল। এটি তোমার প্রথম ছবি ছিল, তবে তুমি নিজের মতামতে দৃঢ় ছিলে। এজন্যই তুমি কর্ণ জোহর।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অক্ষয় কুমার জানিয়েছেন যে টুইঙ্কল এবং তার মধ্যে বিপরীততা তাঁদের সম্পর্ককে টিকিয়ে রেখেছে। সম্প্রতি তাঁরা ২৫তম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করেছেন। অক্ষয় বলেন, বিয়ের আগে তার একাধিক প্রেমের কথা অনেকেই জানেন। শেষে তিনি টুইঙ্কলকে বেছে নিয়েছেন।
অক্ষয় বলেন, এমনিতে তিনি শান্ত স্বভাবের, কিন্তু টুইঙ্কল দ্রুত রেগে যান। রাগের সময় তিনি চিৎকার করে ফেলেন এবং কাউকে রেয়াত করেন না।
অন্য একটি ঘটনা মনে পড়ছে। শোনা যায়, টুইঙ্কল প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার সঙ্গে অক্ষয়ের সম্পর্ক নিয়ে চিন্তিত হয়ে গোয়েন্দাগিরি করেছিলেন। যখন অক্ষয়ের বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কের খবর তার কাছে পৌঁছায়, তখন টুইঙ্কল এবং অক্ষয়ের মধ্যে তুমুল অশান্তি হয়। একবার একটি বিলাসবহুল হোটেলে টুইঙ্কলকে অক্ষয়ের সঙ্গে ঝগড়া করতে দেখা যায়। ঝগড়ার সময় টুইঙ্কল নাকি অক্ষয়কে চড়ও মেরেছিলেন।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অক্ষয় জানিয়েছেন, বিবাহ সম্পর্কে সাফল্য পেতে হলে ক্ষমা চেয়ে নেওয়া শিখতে হবে। আর টুইঙ্কলের রাগ হলে, অক্ষয় বলেন, "তিনি বিছানার যে দিকটাতে শুয়ে থাকেন, সেটাতে নির্দেশমূলক জল ঢেলে দেন, যা টুইঙ্কলের শান্তি দেয়।" বিয়ের ২৫ বছর উপলক্ষে টুইঙ্কলকে পেয়ে অক্ষয় উচ্ছ্বসিত প্রকাশ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন একটি বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
এই অনুষ্ঠানে কোরআন তিলাওয়াত, দোয়া-মাহফিলসহ শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) মানিকদি এলাকার ৩টি মাদরাসা ও এতিমখানায় এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে কোরআন তিলাওয়াত ও বিশেষ দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এরপর সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী ও এতিমদের মধ্যে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়।
আয়োজক সংস্থাটি জানান, মানবিক মূল্যবোধ ও সমাজকল্যাণে শহীদ জিয়ার আদর্শের আলোকে এই কার্যক্রম চলছে।
অনুষ্ঠানে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম বলেন, "শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সারাজীবন সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। তার জন্মবার্ষিকীতে অসহায় ও এতিমদের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।"
এসময় কৃষিবিদ শফিউল আলম দিদার, ইঞ্জিনিয়ার উমাশা ওমাউন মনি চৌধুরী, ডা. বয়জার রহমান, ডা. রেজাউল করিম মনি এবং প্রফেসর ড. সাইফুল্লাহ সোহাগ বক্তৃতা প্রদান করেন। বক্তারা শহীদ জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, নেতৃত্ব এবং মানবিক দর্শনের ব্যাপারে স্মরণ করেন। তারা তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদরাসা ও এতিমখানায় পর্যায়ক্রমে দোয়া-মাহফিল এবং শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ