প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জ্বালানি ও পেট্রোকেমিক্যাল খাতের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যের অভিযোগে ভারতের চারটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং তাদের তিন শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র ও অর্থ দপ্তরের নতুন তালিকা সোমবার (২৪ আগস্ট) স্থানীয় সময় প্রকাশিত হয়। মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটনের এই হঠাৎ পদক্ষেপ ভারতীয় ব্যবসাসংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতভিত্তিক কাস্টমস ব্রোকার প্রতিষ্ঠান ‘পোর্টইজ পার্টনার্স এলএলপি’ ভারতে ইরানি পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের একাধিক বড় চালান আমদানিতে সহায়তা করেছে। এই কারণে সংস্থাটির পাশাপাশি এর দুই মনোনীত অংশীদার এবং ভারতীয় নাগরিক ইন্দ্রিষ্মায়া আশারাফমায়া শেখ ও হরিশ রামচন্দ্র রাঙ্গির বিরুদ্ধে ব্যক্তিকেন্দ্রিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠান হলো ভারতভিত্তিক ‘সদাশিবা ওভারসিজ লিমিটেড’। মার্কিন অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ওয়াশিংটনের আগের নিষিদ্ধ তালিকায় থাকা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৬ কোটি ৯০ লাখ (৬৯ মিলিয়ন) ডলার মূল্যের ইরানি পেট্রোলিয়াম পণ্য ক্রয় ও পরিবহন করেছে তারা। মার্কিন নির্বাহী আদেশ ইও ১৩৮৪৬ লঙ্ঘন করায় তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
‘পিপি সফটটেক প্রাইভেট লিমিটেড’ এবং ‘প্রকৃতিস ইনফ্রা ইমপেক্স ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের আরও দুটি ভারতীয় সংস্থাও একই নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হয়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত পিপি সফটটেক প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের ইরানি তেলজাত পণ্য আমদানি করে, যার ফলে এর পরিচালক প্রশান্ত গার্গও নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েন। অপরদিকে প্রকৃতিস ইনফ্রার বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের মে থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যায় পর্যন্ত আড়াই কোটি ডলার সমমানের পণ্যের লেনদেনের তথ্য প্রকাশ করেছে মার্কিন প্রশাসন।
বিশ্ববাজারে ওয়াশিংটনের তরফ থেকে তেহরানের ওপর চাপানো অর্থনৈতিক অবরোধ ও মাধ্যমিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ভারতের কোম্পানিগুলোর মার্কিন অর্থব্যবস্থা বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ অনেকটাই ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন