প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেনসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠে এসেছে।
এ ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সচিব মো. মেহেদী হাসান শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, গত ২৩ জুন রাতে মিজমিজি কান্দাপাড়া এলাকায় সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে এবং তার নির্দেশে নিষ্ঠা সহকারে মুক্তার, সোলাইমান পলাশ, সাইফুল, নাজমুল, জসিম, টুটুল, জহিরুল, সেলিম, ইয়াসিন, জিসান, জাহিদ ওরফে মাইচ্ছা জাহিদ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে সিটি করপোরেশনের ল্যাম্পপোস্ট মেরামতের কাজে বাধা প্রদান করেন।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, একপর্যায়ে অভিযুক্তরা মেহেদী হাসানের বাড়ির সামনে এসে তাকে উদ্দেশ্য করে গালাগাল করেন এবং জোরপূর্বক তার বাসায় প্রবেশ করেন। পরে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ রয়েছে, প্রধান অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন মেহেদী হাসানের গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। এ সময় তার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৯ এপ্রিল সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল হোসেনের ভাই তুহিনকে সচিবের পদ থেকে অপসারণ করে মো. মেহেদী হাসানকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই ইকবাল হোসেন ও তার অনুসারীরা মেহেদী হাসানের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকি দিচ্ছিলেন।
বর্তমানে মেহেদী হাসান নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা চলে যাওয়ার সময় সচিবের পদ থেকে পদত্যাগ না করলে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক কাউন্সিলর ইকবাল হোসেন তার বিরুদ্ধে আনা হত্যাচেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, মেহেদী হাসান টাকার বিনিময়ে দুটি ল্যাম্পপোস্টের খুঁটি কেটে ফেলেছেন বলে জানতে পেরে আমি তার কাছে বিষয়টি জানতে চেয়েছিলাম। দীর্ঘদিন আমি এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলাম। এসব উন্নয়নমূলক কাজ আমার সময়েই করা হয়েছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক বলেন, অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন