প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর ও বিজয়নগর) আসন থেকে পাঁচবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট হারুন-আল-রশিদ (৮৭) সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় চিরনিদ্রায় শায়িত হয়েছেন।
শনিবার (২০ জুন) বাদ জোহর ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
পরে শহরের শেরপুর কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে, গতকাল শুক্রবার ঢাকায় তাঁর দুটি পৃথক জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
জানাজায় রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেয়। নামাজে জানাজার আগে প্রয়াত নেতার কর্মময় জীবন ও রাজনৈতিক অবদানের ওপর আলোকপাত করে বক্তব্য দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের সংসদ সদস্য ও নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ হান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জহিরুল হক খোকন, জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মোবারক হোসেন আকন্দ ও এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো. আতাউল্লাহসহ আরো অনেকে।
পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন মরহুমের বড় ছেলে কানাডাপ্রবাসী চিকিৎসক ডা. আসিফ হারুন। জানাজায় ইমামতি করেন মৌলভীপাড়া জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ জাকারিয়া।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকার বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অ্যাডভোকেট হারুন-আল-রশিদ মারা যান।
তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি তিন দিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
তাঁর মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন