প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চলতি বছরে কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টিনের ফাইল প্রকাশের পর, তার সাথে মাইক্রোসফটের সহপ্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের সম্পর্ক সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে। এই প্রশ্নের প্রেক্ষিতে গেটসের একটি সাক্ষ্য খুবই গোপনীয়ভাবে নেয়া হয়েছে।
গত বুধবার (১০ জুন) গেটস হাউস ওভারসাইট কমিটির সদস্যদের কাছে এই তথ্য প্রদান করেন। সেখানেই তিনি বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উল্লেখ করেন, যা মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনএন জানায়।
গেটস হাউস ওভারসাইট কমিটির শুনানিতে উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, ‘আমি এপস্টেইনকে কখনো কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে দেখিনি এবং তার থেকে এর কোনো প্রমাণও পাইনি।’
এছাড়া, লিটল সেন্ট জেমস বা এপস্টাইন দ্বীপে যাওয়ার প্রসঙ্গে গেটস বলেন, ‘আমি কখনো তার দ্বীপ, তার খামারবাড়ি বা ফ্লোরিডার বাড়িতে যাইনি। আমি কখনো কাউকে ভুক্তভোগী বানাইনি। তিনি হয়তো ব্যক্তিগত সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে আমি তার প্রস্তাবে সাড়া দিইনি।’
তিনি আরও জানান, ‘আমি জানতে পারি, এপস্টিন আমার ব্যক্তিগত জীবনের কিছু সংবেদনশীল তথ্য জানতেন। এর মধ্যে ছিল আমার বৈবাহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত না থাকার বিষয়টি।’
তবে, গেটস সাফ জানিয়ে দেন যে, এই পরকীয়া ও এপস্টেইনের সঙ্গে তার মেলামেশার কোনও সম্পর্ক ছিল না। সে বিষয়ে তিনি বলেন, এগুলো আমার পরিবারের জন্য কষ্টদায়ক ছিল।
গেটস তার সাক্ষ্যে অভিযোগ করেন যে, তাদের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এপস্টেইন তার পরকীয়া সম্পর্কে জানার বিষয়ে মিথ্যা তথ্য যোগ করে যোগাযোগ পুনর্বহাল করার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, ‘এপস্টেইন এই চেষ্টায় সফল হননি। আমার আসলে এপস্টেইনের সঙ্গে দেখা করা উচিত হয়নি।’
গেটস তার এপস্টেইনের সাথে সম্পর্ককে ‘সীমিত’ হিসেবে বিবেচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে তাদের যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
গেটসের সাক্ষ্য সম্পর্কে ডেমোক্রেটিক প্রতিনিধি মেলানি স্ট্যানসবারি বলেন, ‘বিল গেটস স্বীকার করেছেন যে, তিনি এপস্টিনের সুনাম বা কুখ্যাতি সম্পর্কে জানতেন। তিনি জানান, এপস্টিন যৌন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত, তার মতে, তিনি ধনী দাতাদের কাছে পৌঁছানোর জন্য একটি গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হিসেবে এই সীমিত সম্পর্কটি বজায় রেখেছিলেন।’
প্রসঙ্গত, চলতি বছরে কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টিনের ফাইলগুলো প্রকাশের পর, গেটসের সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। এরপরই তাই গেটসের এই সাক্ষ্য দেয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনএন দ্বারা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন