প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র কানাডাভিত্তিক আটটি মানি সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ইরান সরকারকে সহায়তা প্রদান এবং ইরানের ভেতরে ও বাইরে সম্পদ স্থানান্তরে সহায়তার অভিযোগে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হয়েছে।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক সম্পদ নিয়ন্ত্রণ দপ্তর (ওএফএসি) এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়। ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’-এর আওতায় নির্বাহী আদেশ ১৩৯০২ অনুসারে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
মার্কিন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো ইরানি রিয়ালসহ বিভিন্ন মুদ্রার বিনিময়ে ডিজিটাল সম্পদ লেনদেন করত। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কিছু প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ইরানের নিষেধাজ্ঞাভুক্ত এক্সচেঞ্জ এবং দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে অর্থ লেনদেনের অভিযোগও রয়েছে।
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—মিলিয়ন এক্সচেঞ্জ, আমিন এক্সচেঞ্জ, টপ পিসি টেকনিশিয়ান, এনআইএ নেশনস কারেন্সি, ফারাহ এক্সচেঞ্জ, সিসিসি ইনকরপোরেটেড, ক্রিপ্টয়াল এবং দারভিশ এক্সচেঞ্জ।
মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের দাবি, এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঠিকানায় বিপুল পরিমাণ অর্থ পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, ফারাহ এক্সচেঞ্জের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঠিকানা থেকে কয়েক মিলিয়ন ডলারের ডিজিটাল সম্পদ কানাডার নিষেধাজ্ঞাভুক্ত মাদক পাচারকারী রায়ান ওয়েডিং-সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট মন্তব্য করেন, "ইরান সরকার ও তাদের সহযোগীদের নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তাকারীদের জন্য কানাডা নিরাপদ আশ্রয় হতে পারে না।" তিনি আরও বলেন, "বিশ্বের যেকোনো স্থানে ইরানের অবৈধ আর্থিক লেনদেনের পথ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র কাজ করবে।"
সূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন