প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজधानी ঢাকার বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে সবজির দাম। এ কারণে ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। তবে ডাল, চিনি ও লবণের মতো কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সেই স্বস্তি পুরোপুরি মিলছে না।
শুক্রবার (১৯ জুন) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশেপাশের কয়েকটি বাজার পরিদর্শন করে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনায় বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা কমেছে। ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে সরবরাহ বেড়ে গেছে এবং কিছু পণ্যের আমদানিও বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যমান দামে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সম্মানিত ব্যবসায়ীরা পূর্বাভাস দিচ্ছেন, আগামী সপ্তাহে আরও কিছু সবজির দাম কমতে পারে।
বর্তমানে প্রতিকেজি বেগুন ৮০ টাকায়, পেঁপে ৪০ টাকায়, করলা ৬০ টাকায়, পটল ৫০ টাকায়, কাঁকরোল ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, টমেটো ১২০ টাকায়, ঝিঙে ৫০ টাকায়, শসা ৬০ টাকায় এবং ঢ্যাঁড়স ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, প্রতিপিস লাউয়ের মূল্য ৭০ টাকায় রয়েছে।
কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আনিস মিয়া বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় বাজারে সবজির সরবরাহ বেড়েছে। বিভিন্ন জেলা থেকে অধিক পরিমাণে পণ্য আসছে, যা বেশিরভাগ সবজির দাম কিছুটা কমিয়ে দিয়েছে। যদি সরবরাহ এভাবে ঠিক থাকে, তাহলে সামনে আরও দাম কমতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তবে সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি এলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে ক্রেতারা চাপের সম্মুখীন হচ্ছেন। বর্তমানে মোটা মুগ ডালের কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১০০ টাকা। চিনির দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ১১০ টাকায় উঠেছে। পাশাপাশি, বস্তাপ্রতি লবণের দাম ১০০ টাকা বেড়েছে।
মুদিপণ্যের ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, পাইকারি পর্যায়ে দাম বৃদ্ধির কারণেই খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। একজন মুদি ব্যবসায়ী বলেন, ডাল ও চিনির দাম তারা পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে কিনছেন, তাই খুচরা বাজারে দাম না বাড়ানোর সুযোগ নেই। লবণের বস্তার দামও বেড়ে গেছে।
বাজার করতে আসা নাসরিন আক্তার মন্তব্য করেন যে, একটা জিনিসের দাম কমলে অন্য একটি জিনিসের দাম বাড়ে। সবজি কিনতে কিছুটা কম খরচ হচ্ছে ঠিকই, তবে ডাল-চিনি কিনতে গিয়ে সেই টাকা আবার বেশি চলে যাচ্ছে।
অন্যদিকে, মুরগির বাজারে দাম প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজিতে এবং সোনালি মুরগি ৩শ' ৫০ টাকা কেজিতে। তবে লেয়ার মুরগির বাজারে কিছুটা স্বস্তি এসেছে।
অন্যদিকে, সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমে এখন লেয়ার মুরগি ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুরগি বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় লেয়ার মুরগির দাম কমেছে। তবে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন