প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন যে, ২০২০ সালের নির্বাচনী চক্র থেকে চীন মার্কিন ভোটারদের তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার এক বিশাল কর্মকাণ্ড শুরু করেছিল। তিনি এটিকে ইতিহাসের ‘সবচেয়ে বড় নির্বাচনী তথ্য চুরির ঘটনা’ বলে অভিহিত করেছেন। হোয়াইট হাউসের দাবি, এই অবৈধ অভিযানের মাধ্যমে বেইজিং প্রায় ২২ কোটি মার্কিন ভোটারের ফাইল বা ব্যক্তিগত তথ্য নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে। পেনসিলভানিয়ায় এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প এই তথ্য ফাঁসের ঘটনাকে আমেরিকার নির্বাচন নিরাপত্তার জন্য এক নজিরবিহীন ও ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন বলে বর্ণনা করেছেন। তবে ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের একজন মুখপাত্র এই অভিযোগ জোরালোভাবে অস্বীকার করে জানিয়েছেন, বেইজিং কখনোই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেনি এবং ভবিষ্যতেও কখনো তা করবে না। এদিকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ২০২১ সালের একটি অসংবেদনশীল মূল্যায়ন প্রতিবেদনে অবশ্য ভিন্ন তথ্য দেখা গেছে। তৎকালীন ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স ডিরেক্টর এবং বর্তমানে ট্রাম্পের সিআইএ প্রধান জন র্যাটক্লিফের অধীনে তৈরি ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটার রেজিস্ট্রেশন, ব্যালট, গণনা বা ফলাফলসহ কোনো প্রযুক্তিগত বিষয়ে কোনো বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপ বা পরিবর্তনের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এই প্রতিবেদনের একটি গোপন সংস্করণ ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের একেবারে শেষ দিকে, ২০২১ সালের ৭ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছিল। সূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন