প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিরোধী দলের নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে এখনও তিনি ভালো লক্ষণ দেখতে পাচ্ছেন না। জাতীয় সংসদের চীফ হুইফ, যিনি সংসদের শৃঙ্খলার দায়িত্বে আছেন, তিনি তার এলাকায় গিয়ে বলেছেন যে, যেখানে বিএনপি’র প্রার্থী বিজয়ী হবে না, সেখানে কোনো সরকারি বরাদ্দ প্রদান করা হবে না। এটি একটি লজ্জার বিষয়। এর মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে যে, জনগণকে আগে থেকেই ভয় দেখানো হচ্ছে। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ এখনো তৈরি হয়নি।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউসের হলরুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত ও মতবিনিময়কালে এসব মন্তব্য করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, বিএনপির একজন অবসরপ্রাপ্ত ক্যাডারকে নির্বাচন কমিশনের এডিশনাল সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এখানে প্রশ্ন উঠছে, কেন একজন দলীয় লোককে এখানে আনতে হবে।
জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, নির্বাচনের আগে তারা অবশ্যই রাস্তা পরিষ্কার করার চেষ্টা করবেন। তারা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে চান। যখন সেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের নিশ্চয়তা পাবেন, তখন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। তারা জনগণের অধিকার নিয়ে লড়াই করতে চান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সমালোচনা করে বিরোধী নেতা আরও বলেন, সৌভাগ্যক্রমে তারা একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পেয়েছেন। তিনি সকল মন্ত্রণালয়ে সার্ভিস প্রদান করেন। কিন্তু তিনি মাদক নিয়ন্ত্রণ কিংবা অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে সফল হননি, এবং সমাজে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পারেননি। রাষ্ট্রে আইনশৃঙ্খলার দৃশ্যমান কোনো উন্নতি নেই।
জামায়াত আমির বলেন, সংবাদপত্র সমাজের আয়না। তাদের মাধ্যমে সমাজের দোষত্রুটি প্রকাশ পায়। স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সালে সংবাদ মাধ্যমের উপর আক্রমণ হয়েছিল। রাজনীতির উপর আঘাত এসেছিল। বহুদলীয় গণতন্ত্র বাদ দিয়ে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল। সব সংবাদ মাধ্যম সরকার তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল। ৪টি সংবাদ মাধ্যম ছাড়া আর কোনো সংবাদ মাধ্যমের অস্তিত্ব রাখা হয়নি।
এদিকে, জামাত আমির ডা. শফিকুর রহমান সকালের দিকে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউসে আসলে তাকে অভ্যর্থনা জানান জেলা জামায়াত আমির ইঞ্জিনিয়ার মো. শাহেদ আলী, হবিগঞ্জ জেলার আমির মাওলানা কাজী মখলিছুর রহমান, মৌলভীবাজার জেলার সেক্রেটারি মোঃ ইয়ামীর আলী, হবিগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি কাজী মহসিন আহমদ, ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি ফরিদ উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। পরে পুলিশের একটি চৌকস দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন