প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ২৪ আগস্ট ২০২৬ : আজ থেকে রাজধানী ঢাকার বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে শুরু হয়েছে উপমহাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতা "বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬"।
প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার-ইন-চিফ মেজর জেনারেল মো: হাসান উজ জামান, যিনি প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রোমোটর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জি এম কামরুল ইসলাম (অব:), বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির নির্বাহী কর্মকর্তা কর্নেল মোহাসিনুল করিম (অব:)।
এবারের আসরে পাঁচ দিন ব্যাপী স্বাগতিক বাংলাদেশসহ বিশ্বের মোট ১১টি দেশের ২৪ জন পেশাদার স্কোয়াশ খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করছে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, হংকং, সিঙ্গাপুর, ইরান, কুয়েত, বাহরাইন, মিশর, জাপান ও জার্মানি।
আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কধারী পেশাদারদের উপস্থিতি এবারের টুর্নামেন্টকে অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বীপূর্ণ ও আকর্ষণীয় করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, এবার পাকিস্তান, আয়ারল্যান্ড ও মালয়েশিয়াসহ মোট ১৭ টি দেশের ৮৪ জন পেশাদার খেলোয়াড় অংশগ্রহণের জন্য রেজিষ্ট্রেশন করলেও পেশাদার স্কোয়াশ এসোসিয়েশনের বাধ্য-বাধকতা এবং প্রতিযোগিতার ড্র সাইজের জন্য প্রথমদিকে ২১ জন বিদেশি খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করবে।
বর্তমানে বাংলাদেশে ১১ জন বিশ্ব র্যাঙ্কধারী পেশাদার স্কোয়াশ খেলোয়াড় রয়েছে। এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ তরুণ প্রতিভা আমিনুল (৬৯৬ তম), সাইমন (৭৭৫ তম) ও পারভেজ (৮৭৫ তম) এর সঙ্গে আরও উপস্থিত রয়েছেন মিশরের মো: গহর (বিশ্বের ৯১ তম), জাপানের নওকি হারিস (১১৭ তম), রভিন্দ্র লক্ষীশ্র (১৪৮ তম), আয়ন ভিজালি (১৭৩ তম), সিঙ্গাপুরের জেরোম আও (১৮৫ তম), বাহরাইনের ইউসুফ থানি (২২৪ তম), হংকং-এর ইউলসন চেন (৩৩৭ তম), জার্মানীর ইউহোকম বিলিকভ (৩৪১ তম), কুয়েতের বদর আলমঘারাবি (৩৫৬ তম) এবং ইরানের সিপার এতিমাডপোর মতো তাঁবুর খেলার মহারথীরা।
বিগত ছয় বছরে, বিভিন্ন প্রতিকূলতা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশে স্কোয়াশ খেলায় নতুন জাগরণ আনা সম্ভব হয়েছে। এই আন্তর্জাতিক আসর বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় ও আদর্শ "স্কোয়াশ ডেস্টিনেশন" হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আয়োজকদের মতে, স্কোয়াশকে নির্দিষ্ট গন্ডি থেকে বের করে জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য "ক্লাসরুম স্কোয়াশ" এবং "স্কোয়াশ ও শিক্ষা বৃত্তি" এর মতো বৈপ্লবিক ও জনবান্ধব প্রকল্প চালু করা হয়েছে। এর ফলে স্কোয়াশ একসময় কেবল অভিজাতদের খেলা হিসেবে বিবেচিত হলেও এখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের খেলার মাঠে জায়গা করে নিয়েছে। সীমিত সম্পদের দেশগুলোর জন্য বাংলাদেশের এই সাফল্য ও তৃণমূল উন্নয়ন কার্যক্রম একটি অনুসরণযোগ্য বৈশ্বিক মডেল হতে পারে।
আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ প্রতিযোগিতাটি আগামী ২৮ আগস্ট শেষ হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন