প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের ইন্টারনেট বাজারে এক ধরনের অদৃশ্য লড়াই চলছে। একদিকে আছেন ইলন মাস্ক, অন্যদিকে মুকেশ আম্বানি। মাস্ক জানিয়েছেন, ভারতে স্টারলিংকের দাম হবে সাশ্রয়ী। তার এই মন্তব্যের ফলে দীর্ঘদিন ধরে একচেটিয়া ব্যবসা করা আম্বানির রিলায়েন্স জিও বিপদে পড়তে পারে। এই ঘোষণাটি এমন সময়ে এসেছে, যখন জিও’র মূল প্রতিষ্ঠান দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আইপিও ছাড়তে যাচ্ছে। খবরটি এসেছে আল জাজিরার মাধ্যমে।
শনিবার, নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মাস্ক লেখেন, ভারতে স্টারলিংক যদি বেশি দামি হয়, তাহলে কেউ এটি কিনবে না। সুতরাং, স্পেসএক্সকে দাম সাশ্রয়ী রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রতিযোগিতা সব সময় সাধারণ মানুষের জন্য উপকারে আসে। মানুষ বেছে নেওয়ার সুযোগ বেশি পায়। তার ভাষ্যমতে, আম্বানির মুনাফা কমবে, তবে ব্যবসা বন্ধ হবে না। মাস্ক অবশ্য ভারতের জন্য নির্দিষ্ট কোনো দাম উল্লেখ করেননি। দেশে মোবাইল ডেটার দাম প্রতি গিগাবাইট প্রায় ৭ দশমিক ৭৪ রুপি, যা বিশ্বের সবচেয়ে কমগুলোর মধ্যে একটি।
কম দামে ডেটা দেওয়ার কৌশলেই ভারতে জিও বড় হয়ে উঠেছে। কেনিয়ার মতো বাজারে একই পথে হেঁটে মাস্কও স্থানীয় টেলিকম কোম্পানিগুলোকে চাপে ফেলেছেন। বর্তমানে স্পেসএক্স নিজেই মোবাইল অপারেটর হিসেবে নামছে। তাদের শুরু হবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। সাম্প্রতিক কয়েকটি পোস্টে মাস্ক সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার ও আম্বানিকে অভিযুক্ত করেছেন। তার দাবি, বাজারের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান জিওকে সুবিধা দিতে বিশ্বের অন্যতম বড় ইন্টারনেট বাজারে স্টারলিংকের প্রবেশ আটকে রাখা হচ্ছে।
শুক্রবার গভীর রাতে তিনি আম্বানিকে সরাসরি খোঁচা দেন। তাকে ‘প্রধানমন্ত্রী আম্বানি’ বলে সম্বোধন করে জানতে চান, তিনি কি স্টারলিংককে প্রতিযোগিতার সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবছেন? মাস্কের এই সুর পরিবর্তন লক্ষণীয়। কারণ, মোদির সঙ্গে মাস্কের দীর্ঘদিনের উষ্ণ সম্পর্ক ছিল। ভারত সরকার অবশ্য পক্ষপাতের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সরকারের বক্তব্য, অনুমোদন প্রক্রিয়ায় কোনো পক্ষপাত নেই। স্টারলিংক ও জিওসহ তিনটি স্যাটেলাইট প্রকল্পই চূড়ান্ত নিরাপত্তা ছাড়পত্রের অপেক্ষায় রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন