প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লুই ইনাসিও লুলা দ্য সিলভার ঐতিহাসিক পুনর্নির্বাচন বিশ্ব ভূরাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী পরিবর্তনের পথ সুগম করেছে। এই বিজয়ের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি বড় ধরনের রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে এটি পরিগণিত হচ্ছে।
লুলার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ডানপন্থী ফ্ল্যাভিও বলসোনারো। তিনি বিজয়ী হলে ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, যা লাতিন আমেরিকায় ডানপন্থী রাজনীতির অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করার ইঙ্গিত দিচ্ছিল। কিন্তু লুলার এই জয় সেই সম্ভাবনা পুরোপুরি নস্যাৎ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, লুলার বিজয়ের ফলে আর্জেন্টিনা সহ প্রতিবেশীদের সঙ্গে ব্রাজিলের বিদ্যমান রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র হতে পারে। অন্যদিকে, ওয়াশিংটন যখন পুরো লাতিন অঞ্চলে নিজেদের একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করতে চায়, তখন বেজিংয়ের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ তৈরি করেছে। নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার পরপরই লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে বড় অর্থনীতির এই দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করার স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন।
আন্তর্জাতিক কূটনীতির পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাতেও লুলা বিশ্বমঞ্চে মূল নেতৃত্বদাতার ভূমিকায় থাকবেন। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, লুলার বিগত মেয়াদে আমাজন বনাঞ্চল উজাড়ের হার আগের বছরের জুলাইয়ের তুলনায় রেকর্ড ৪২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল। পরিবেশ সুরক্ষায় লুলার নীতি বিশ্বজুড়ে ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে।
সব মিলিয়ে, লুলার প্রত্যাবর্তন ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতিতে বড় প্রভাব ফেলার পাশাপাশি বেইজিংয়ের অবস্থান শক্ত করবে এবং বৈশ্বিক জলবায়ু লড়াইকে এক নতুন গতি দেবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন