প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চীনে গ্যাস সরবরাহের জন্য ‘পাওয়ার অব বাইকাল’ (সাবেক ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া–২’) গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পের বিষয়টি রাশিয়া ও চীনের মধ্যে আলোচনা চলছে। শুক্রবার রাশিয়া-চীন আন্তঃসরকারি জ্বালানি সহযোগিতা কমিশনের বৈঠকে এই তথ্য তুলে ধরেন রুশ উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক।
নোভাক উল্লেখ করেন, ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া’ পাইপলাইনের মাধ্যমে চীনে রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর পাশাপাশি ‘ফার ইস্টার্ন’ রুট চালুর প্রস্তুতি চলছে। চীনে রুশ গ্যাস সরবরাহের জন্য অন্যান্য সম্ভাব্য রুট নিয়েও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে, যার মধ্যে ‘পাওয়ার অব বাইকাল’ প্রকল্পটি অন্তর্ভুক্ত।
‘পাওয়ার অব বাইকাল’ প্রকল্পটি পূর্বে ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া–২’ নামে পরিচিত ছিল। রুশ জ্বালানিমন্ত্রী সের্গেই সিভিলিওভ ২ সেপ্টেম্বর জানিয়েছেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন প্রকল্পটির নতুন নাম ‘পাওয়ার অব বাইকাল’ দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, প্রকল্পটির নির্মাণ পর্যায়ে নেওয়ার প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
প্রস্তাবিত পাইপলাইনটি রাশিয়ার ইয়ামাল অঞ্চলের গ্যাসক্ষেত্র থেকে মঙ্গোলিয়া হয়ে চীনে গ্যাস সরবরাহ করবে। এর মাধ্যমে বছরে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস পরিবহনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাইপলাইনটির দৈর্ঘ্য প্রায় ২ হাজার ৬০০ কিলোমিটার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নোভাক পূর্বে জানিয়েছিলেন, প্রকল্পটির গ্যাস সরবরাহের রুট ও বাণিজ্যিক বিষয় নিয়ে রাশিয়ার গ্যাজপ্রম এবং চীনের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান সিএনপিসির মধ্যে আলোচনা চলছে। প্রকল্পটির গ্যাসের মূল্য নির্ধারণসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের শুরুতে রাশিয়া ও চীন ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া–২’ এবং মঙ্গোলিয়ার মধ্য দিয়ে ‘সয়ুজ ভস্তক’ গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের জন্য একটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক সমঝোতা স্মারক সই করেছিল। নতুন নামকরণের পরেও প্রকল্পটির মূল রুট ও পরিকল্পিত সক্ষমতায় কোনো পরিবর্তনের কথা জানানো হয়নি।
এদিকে, চীনে রাশিয়ার গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি করতে বিদ্যমান ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া’ পাইপলাইনের পাশাপাশি ‘ফার ইস্টার্ন’ রুট চালুর প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। রাশিয়ার জ্বালানি খাতে চীনের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি গ্যাস সহযোগিতা জোরদারের অংশ হিসেবেই এসব প্রকল্পকে দেখা হচ্ছে। তথ্যসূত্র: তাস, রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন