প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নতুন আন্তর্জাতিক ‘গ্যাং’ দমন বাহিনী (জিএসএফ)-এ শ্রীলঙ্কার একটি দল যোগ দিয়েছে যা হাইতিতে সশস্ত্র গ্যাং দমনে গঠিত হয়েছে বলে জানা যায়। জাতিসংঘ-সমর্থিত এই বাহিনীর এক মুখপাত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এই মুখপাত্র বৃহস্পতিবার এএফপিকে বলেছেন, ‘একটি শ্রীলঙ্কান দল গত রাতে পোর্ট-অ-প্রিন্সে পৌঁছেছে। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে আমরা সদস্যসংখ্যা প্রকাশ করছি না।’
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র থেকে এসেছে। মুখপাত্র জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরও সদস্য এই বাহিনীতে যোগ দেবেন। ধাপে ধাপে এই বাহিনীর সদস্যসংখ্যা বাড়িয়ে পরিকল্পনা রয়েছে প্রায় ৫ হাজার ৫০০ জন ইউনিফর্মধারী সদস্য (পুলিশ ও সেনাসদস্য) এবং ৫০ জন বেসামরিক কর্মী নিয়ে গঠনের।
এই বাহিনীর মূল লক্ষ্য হচ্ছে হাইতির জাতীয় পুলিশকে সহায়তা করা এবং দেশের রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সশস্ত্র গ্যাংগুলোকে দমন করা।
এছাড়া, বাহিনীটি কাজ করবে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দেশে জননিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা এবং নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করার জন্যও।
আমেরিকা মহাদেশের সবচেয়ে দরিদ্র দেশগুলোর মধ্যে একটি হাইতি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সহিংসতায় ভুগছে। দেশটির শক্তিশালী সশস্ত্র গ্যাংগুলো হত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট ও অপহরণের মতো অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রধান ভলকার টুর্ক গত মাসে জানিয়েছিলেন, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে গ্যাং সহিংসতায় অন্তত ‘২ হাজার ৩০০ জন নিহত এবং ১ হাজার ১০০ জন আহত হয়েছেন। তিনি নতুন এই বাহিনীকে ‘অত্যন্ত জরুরি’ বলে উল্লেখ করেন।
নিরাপত্তাহীনতার কারণে হাইতিতে ২০১৬ সালের পর আর কোনো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। জাতিসংঘের ২০২৬ সালের হাইতি মানবিক সহায়তা পরিকল্পনার জন্য ৮৮ কোটি ডলার প্রয়োজন হলেও এখন পর্যন্ত এর এক-চতুর্থাংশেরও কম অর্থ পাওয়া গেছে। গত জুনে হাইতি সফরের সময় জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস দেশটির পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘বিশ্ব যেভাবে হাইতির দিকে তাকানো বন্ধ করে দিয়েছে, সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন