প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নেত্রকোনায় একটি ব্যতিক্রমী আয়োজনে ‘গাছ দত্তক’ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে শুক্রবার বিকেলে শহরের কালিবাড়ি বটগাছ তলায় ‘গাছ দত্তক’ কর্মসূচিতে শপথ বাক্য পাঠ করানোর মাধ্যমে গাছ উপহার দেয়া হয়েছে।
বারসিকের সহযোগিতায় গ্রীন কোয়ালিশনের আয়োজনে ‘আমার গাছ, আমার দায়িত্ব’ স্লোগানে শিশু থেকে বৃদ্ধ সকল বয়সের মানুষ অংশগ্রহণ করে। তারা গাছের চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করে আয়োজকদের কাছ থেকে গাছটি গ্রহণ করেন।
এর আগে ‘একজন এক গাছ সবুজ হবে চারপাশ’, ‘আসুন একটি গাছের দায়িত্ব নেই, পরিবেশ রক্ষায় সক্রিয় হই’ এমন নানা স্লোগানে প্লেকার্ড প্রদর্শন করা হয়। এতে নতুন প্রজন্মসহ শিশুদেরকে সচেতন করতে পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা বাড়াতে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
কর্মসূচিতে বিভিন্ন ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। গাছকে কীভাবে লালন-পালন করতে হবে, এই বিষয়ে শপথ বাক্য পাঠ করান বারসিকের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী পরিবেশবিদ মো. অহিদুর রহমান।
এমন একটি ব্যতিক্রমী আয়োজনে অংশ নিয়ে এবং গাছ নিয়ে আনন্দিত হয়েছে শিশু, তরুণ এবং বৃদ্ধরা। তারা信 এক ধরনের আয়োজনে পরিবেশের গুরুত্ব বুঝবে বলেও তাদের ধারণা।
দিবসটির গুরুত্ব এবং চারপাশের বিপর্যস্ত পরিবেশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন গ্রীন কোয়ালিশনের সহ-সভাপতি ও শিক্ষা সংস্কৃতি পরিবেশ, বৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সম্পাদক সাংবাদিক আলপনা বেগম, পরিবেশ কর্মী শংকর ম্রং, গ্রীন কোয়ালিশনের সমন্বয়কারী অনাবিলা সরকার, তাজিম রহমান, সবুজ সংহতির তানভীর হায়াত খান, মীর্জা হৃদয় সাগর প্রমুখ।
বক্তাগণ বলেন, গাছের লালন-পালনও শিশুদের মতো করতেই হয়। কারণ গাছ শুধুমাত্র অক্সিজেন দেয় না, এই গাছ ফল দেয় এবং কাঠ দেয়। এক কথায় বললে, গাছের বিকল্প নেই। তাই গাছকে বাঁচাতে হলে এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ধরে রাখতে হবে। চুক্তি করে স্বাক্ষর দিয়ে গাছ নেয়ার অর্থই হলো গাছটিকে লালন-পালন করা বাধ্যতামূলক হয়ে গেল। এতে করে দায়ও থাকবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন