প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সিকিউরিটিজের সরাসরি তালিকাভুক্তি) বিধিমালা, ২০২৬’-এর খসড়া অনুমোদন করা হয়েছে। শিগগিরই জনমত যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে খসড়াটি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকা এবং কমিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খানের সভাপতিত্বে আজ অনুষ্ঠিত কমিশনের ১০৯তম সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
প্রস্তাবিত বিধিমালার আওতায়, বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানাধীন শেয়ারের ১০ থেকে ২০ শতাংশ বিক্রয়ের মাধ্যমে কোনো প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ছাড়াই নির্দিষ্ট শর্তে কোম্পানিগুলো সরাসরি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হতে পারবে।
বিধিমালায় সরাসরি তালিকাভুক্তির জন্য কিছু যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় শর্তাবলী নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি, পরিশোধিত মূলধনের অন্তত ১০ শতাংশ সরকারের মালিকানাধীন থাকা কোম্পানি, বিদেশি শেয়ারহোল্ডারদের পূর্ণ বা সংখ্যাগরিষ্ঠ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান এবং পরিশোধিত মূলধন ন্যূনতম ৩০০ কোটি টাকা রয়েছে—এমন যেকোনো কোম্পানি।
এছাড়া, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) অনুমোদিত টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি-সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদানকারী অথবা আইসিটি অবকাঠামো ও উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোও এই সুবিধার আওতায় আসতে পারবে। পাশাপাশি, অন্তত ৩ বছরের সফল কার্যক্রম পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকা সাপেক্ষে তফসিলি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বীমা কোম্পানিগুলোও নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে সরাসরি তালিকাভুক্ত হতে পারবে।
প্রস্তাবিত নিয়মে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, বার্ষিক সর্বনিম্ন ৫০০ কোটি টাকা টার্নওভার অথবা সমপরিমাণ মোট সম্পদ রয়েছে—এমন বৃহৎ কোম্পানিগুলোকেও সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সরাসরি বাজারে আসার সুযোগ দেওয়া হবে।
তবে সরাসরি তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে স্টক এক্সচেঞ্জ, ডিপোজিটরি এবং সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টির নির্ধারিত অন্যান্য বিধি ও শর্তাবলিও অবশ্যই পালন করতে হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন