প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ এবং বয়স্ক ভাতার কার্ড প্রদান করার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ নেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জুয়েল মিয়াকে দলের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে পাকুন্দিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি এসএএম মিনহাজ উদ্দীন এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শরীফুল ইসলাম সুজনের যৌথ স্বাক্ষরিত একটি চিঠির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি জুয়েল মিয়ার বিরুদ্ধে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আনোয়ারখালী গ্রামের হতদরিদ্র লায়লা খাতুনকে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। একইসঙ্গে, একই গ্রামের একটি মসজিদের উন্নয়নকাজের জন্য গ্রামীণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পের (টিআর) বরাদ্দ থেকে ১৯ হাজার টাকা তার কাছে দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি ওই টাকা মসজিদ কর্তৃপক্ষকে না দিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।
চিঠিতে আরো বলা হয়েছে, জুয়েল মিয়ার এসব কর্মকাণ্ড নৈতিকতার পরিপন্থী এবং বিএনপির নীতি, আদর্শ ও দলীয় শৃঙ্খলার বিরুদ্ধে। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে উল্লেখ করে দলীয় গঠনতন্ত্রের ১২(ক) ধারা অনুযায়ী তাকে ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
পাকুন্দিয়া পৌর বিএনপির সভাপতি এসএএম মিনহাজ উদ্দীন মন্তব্য করেন, "দলীয় শৃঙ্খলাপরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে জুয়েল মিয়াকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।" একইসঙ্গে, কমিটির ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রুহুল আমীন ভূঁইয়া রাসেলকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত জুয়েল মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন