প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বের বিভিন্ন শহরের মতো, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণ একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে রয়েছে। শহরটির বায়ুর মানে हाल ही में কিছুটা উন্নতির আভাস মিললেও দূষণের চাপ পুরোপুরি কাটেনি। সর্বশেষ সূচকে বায়ুর মান মাঝারি পর্যায়ে থাকলেও, বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকা এখনও রয়েছে।
রোববার (২৮ জুন) সকালে আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (এএকিউআই) অনুযায়ী, ঢাকার স্কোর হলো ৬৬। এই স্কোর অনুযায়ী রাজধানীর বায়ুর মান ‘মাঝারি’ পর্যায়ে রয়েছে। এ সময় বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় ঢাকার অবস্থান ৪১তম স্থানে রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণকাজের ধুলাবালি, ইটভাটা এবং শিল্পকারখানার নির্গমন রয়েছে। এসব উৎস নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে, বায়ুর মানে স্থায়ী উন্নতি হবে না। ফলে সাময়িকভাবে বায়ুর মানের উন্নতি দেখা গেলেও, দীর্ঘমেয়াদে দূষণ কমাতে সমন্বিতভাবে উদ্যোগ গ্রহণের বিকল্প নেই।
এদিকে, একই সময়ে দূষিত শহরের তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর শহর, যার স্কোর ১৬৬। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসা, যার স্কোর ১৬০। তৃতীয় অবস্থানে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার স্কোর ১৩৪, চতুর্থ অবস্থানে উগান্ডার রাজধানী কাম্পালার স্কোর ১২৯ এবং পঞ্চম অবস্থানে চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো, যার স্কোর ১১৯।
আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ প্রশংসনীয় হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বলে গণ্য হয়। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে, তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলা হয়ে থাকে।
এছাড়া, ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এই অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে, এবং অন্যান্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার কথা বলা হয়। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হয়ে থাকে, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন