প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশে হামের প্রাদুর্ভাবের তিন মাস অতিক্রান্ত হলেও প্রাণহানির ঘটনা বন্ধ হচ্ছে না। প্রতিদিনই রয়েছে হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত। স্বাস্থ্য অধিদফতরের পক্ষ থেকে শতভাগ কাভারেজের তথ্য প্রদান করা হলেও হাসপাতালগুলোতে হামের টিকার অভাবে আক্রান্ত রোগীদের finding হচ্ছে।
সরেজমিনে বাংলাদেশের শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের হাম ওয়ার্ডে গেলে দেখা যায়, হাসপাতালে রোগীর চাপ কিছুটা কমেছে, কিন্তু হাম ওয়ার্ডের কোনো শয্যা এখনও ফাঁকা হয়ে ওঠে নি। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রোগী ভর্তি হচ্ছে। তবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া শিশুদের অধিকাংশই হামের টিকা গ্রহণ করেনি। অনেকের বয়স এখনও হয়নি, আবার কেউ বিভিন্ন অজুহাতে নেয়নি, তবে অনেকেই টিকার বিষয়ে জানতেন না।
এদিকে মাস পেরিয়ে গেছে জরুরি টিকাদান কর্মসূচির। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মতে, শতভাগ টিকা কাভারেজের দাবি করা হয়েছে। কিন্তু হাসপাতালের অধিকাংশ রোগী এখনও টিকা গ্রহণ করেনি। এখানে যেমন অভিভাবকদের উদাসীনতা বিদ্যমান, তেমনি টিকার প্রচারণার ঘাটতিও রয়েছে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞগণ মনে করেন, জরুরি অবস্থায় টিকার প্রদান সম্পূর্ণ কাভারেজ নিশ্চিত করতে পারেনি। তাই বাড়ি-বাড়ি গিয়ে বাদ পড়াদের দ্রæত টিকার আওতায় আনতে হবে। এর সঙ্গে প্রয়োজন অ্যান্টিবডি যাচাই করাও।
টিকার পাশাপাশি ৫ বছর বয়স পর্যন্ত সকল শিশুকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের দ্বারা দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৮ জুন দেশব্যাপী ভিটামিন-এ ক্যাপসুল ক্যম্পেইন পালিত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন