প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নে পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে পাহাড় কাটার অপরাধে পৃথক পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ১৩টি ইটভাটাকে মোট ২৯ লাখ টাকা জরিমানা করে লামা উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দিনব্যাপী লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, অভিযানের প্রথম অংশে নেতৃত্ব দেন লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঈন উদ্দিন। ফাইতং এলাকায় অবৈধভাবে পাহাড় কাটার অপরাধে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে ‘বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫’-এর ৬(খ) ধারার লঙ্ঘন এবং ‘ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’-এর ১৫ ধারা অনুযায়ী ১টি ইটভাটাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
একই দিনে পৃথকভাবে অপর একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বান্দরবান জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারোয়ার হোসেন। এসময় আরও ১২টি ইটভাটাকে ২৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এই দুটি অভিযানে সর্বমোট ১৩টি মামলায় ১৩ জন আসামিকে এই অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযান শেষে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঈন উদ্দিন বলেন, পরিবেশ সুরক্ষায় এবং অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা অতীতেও বিভিন্ন অভিযানে পরিবেশ রক্ষার চেষ্টা চালিয়েছি৷ কোনোভাবে অবৈধ ও পরিবেশ ধ্বংসী কোনো কাজকে প্রশ্রয় দেয়া হবে না।"
তিনি আরও কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন, "কেবল জরিমানা আদায় শেষ কথা নয়; ইটভাটার মালিকরা আইন না মানলে প্রয়োজনে সেসব ইটভাটা গুড়িয়ে দেওয়া হবে।"
ইটভাটায় এসব অভিযানে প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের বান্দরবান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক নুর হাসান সজীব ও পরিদর্শক নূর উদ্দিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লামা থানার পুলিশ ও স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন