প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরকালে যা ঘটবে, তা হচ্ছে দেশটির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শ্রমবাজারের ইস্যু। প্রবাসী বাংলাদেশিরা যারা সিন্ডিকেটের ফাঁদে পড়ে অবৈধ হয়ে পড়েছেন, তারা তাঁদের সমস্যা সমাধানে আশায় বুক বেঁধে আছেন। মালয়েশিয়ায় প্রতিটি মুহূর্ত তাঁরা আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তার সঙ্গে কাটাচ্ছেন। অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি যে স্বপ্ন নিয়ে মালয়েশিয়ায় গিয়েছিলেন, তা এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পাড়ি দিয়ে কয়েক লাখ বাংলাদেশি বর্তমানে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় বসবাস করছেন। গ্রেফতার আতঙ্কের কারণে তারা দেশে ফিরতেও পারছেন না এবং সেখানেও নিরাপদ অনুভব করছেন না। প্রবাসীদের প্রত্যেকের অভিযোগ একটাই, যে সিন্ডিকেটের এজেন্সির কারণে তাঁদের চরম দুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তবে এর মাঝেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর ঘিরে এক ধরনের আশার সঞ্চার ঘটেছে। অবৈধ হয়ে পড়া প্রবাসীদের প্রত্যাশা, সরকার প্রধানের এই সফরে লাখো যুবকের ভাগ্য নির্ধারণ হবে। বাংলাদেশের কর্মী নিয়োগ প্রতিষ্ঠানগুলোও জানাচ্ছে, যদি সিন্ডিকেটমুক্ত হয়, তবে ভিসা প্রক্রিয়া হবে সহজতর এবং শ্রমবাজার পুনরুদ্ধার হবে। এদিকে, প্রবাসী রাজনীতিকরা প্রত্যাশা করছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরকালে শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সহযোগিতা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। বর্তমান সরকারের প্রথম বিদেশ সফরটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিলেও, বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষাই এর প্রধান লক্ষ্য হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রবিবার (২১ জুন) দুপুরে মালয়েশিয়ায় উদ্দেশ্যে ঢাকা ছেড়ে গেছেন প্রধানমন্ত্রী। কুয়ালালামপুর থেকে মঙ্গলবার (২৩ জুন) চীনে যাবেন তিনি। এই সফরে তিস্তা ইস্যুও গুরুত্ব পাবে বলে জানা গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন