প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জলবায়ু পরিবর্তন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে, ভারতের কলকাতা ১৭৩ স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে। এই বাতাসের মানকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। অপরদিকে, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ১৫৩ স্কোর নিয়ে তালিকার সপ্তম স্থানে রয়েছে। ঢাকার বাতাসের মানও নাগরিকদের জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত হয়।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় কলকাতা ১৭৩ স্কোর নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে। এছাড়া, ১৬৯ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, তৃতীয় স্থানে উগান্ডার কাম্পালা ১৬৬ স্কোর নিয়ে, চতুর্থ স্থানে সিঙ্গাপুর ১৬২ স্কোর নিয়ে এবং পাকিস্তানের লাহোর ১৬১ স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর ‘মাঝারি বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ এবং ২০১ থেকে ৩০০ স্কোর ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে গণ্য করা হয়।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণের জন্য দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করা হয়। এই বৈশিষ্ট্যগুলো হলো, বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া এবং নির্মাণ সাইটের ধুলা।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের কারণে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মৃত্যুবরণ করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন