প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ছবির ২৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে যখন পুরনো সহকর্মীরা আবার একসঙ্গে এসেছে, তখন প্রীতি ব্যস্ত তাঁর নতুন ছবি ‘বঁটওয়ারা ১৯৪৭’-এর প্রচারে। এই ছবির সঙ্গেও আবার জড়িয়ে আছে আমির।
পঁচিশ বছর আগে তিন বন্ধুর গল্প নিয়ে ‘দিল চাহতা হ্যায়’ সিনেমাটি পদার্পণ করেছিল। সময়ের সঙ্গে আকাশ, সমীর এবং সিদ্ধার্থ নিজেদের আলাদা পথে এগিয়ে গিয়েছে, কিন্তু ছবির বন্ধুত্ব একই জায়গায় রয়ে গেছে। বছরের পর বছর ধরে সেই বন্ধুত্বের ২৫ বছর পূর্তি উদ্যাপন অনুষ্ঠিত হল। তবে প্রীতি জ়িন্টা এই আয়োজনের অংশগ্রহণ করতে পারলেন না।
ছবির ২৫ বছর পূর্তি উদ্যাপন উপলক্ষে যখন সহ-অভিনেতারা আবার একসঙ্গে হয়েছিল, তখন প্রীতি তাঁর নতুন ছবি ‘বঁটওয়ারা ১৯৪৭’-এর প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন। যেহেতু এই ছবির প্রযোজক আমির, সুতরাং সকলের সামনে অভিনেত্রীর মজাদার মন্তব্যটি ছিল, ‘‘আমির আমাদের আলাদা (বঁটওয়ারা) করে দিয়েছেন। ছবিটি আসছে, কাজেই প্রচারে বেরোতেই হয়েছে।’’
২৫ বছর আগে তিন বন্ধুত্বের কাহিনিটি দর্শকের নজর আকর্ষণ করেছিল।
একদিকে প্রীতির পুরনো ছবির স্মৃতি এবং অন্যদিকে দীর্ঘ বিরতির পর বড়পর্দায় ফেরার উত্তেজনা— এই দুইয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে রয়েছেন প্রীতি। ‘দিল চাহতা হ্যায়’-এর ২৫ বছরের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারায় যে তাঁর মধ্যে একটা আক্ষেপ রয়েছে, তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। পুরনো দিনের স্মৃতি ভাগ করে নেওয়ার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু কাজের ব্যস্ততায় সেই সুযোগ হয়নি।
তবে ২৫ বছর আগে নির্মিত সিনেমাটির প্রসঙ্গ উঠলে প্রীতির কথায় এক ভিন্ন উষ্ণতা চলে আসে। ‘দিল চাহতা হ্যায়’ তাঁর অভিনয়জীবনের একটি স্মরণীয় ছবি— এ কথা অকপটে স্বীকার করেছেন তিনি। তার আগেও আমিরের সঙ্গে পুনরায় কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি। অভিনেত্রী জানান যে, ভবিষ্যতে আমিরের সঙ্গে এমন কোনও ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতে চান, যা তাঁদের দু’জনের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
অভিনেত্রীকে দর্শক এক সময় ‘দিল চাহতা হ্যায়’-এর উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত শালিনীর চরিত্রে দেখেছেন। তিনিই প্রায় আট বছর পর আবার বড়পর্দায় ফিরছেন। সর্বশেষ তাঁকে দেখা গিয়েছিল ‘ভাইয়াজি সুপারহিট’ ছবিতে। ফলে পুরনো স্মৃতির দরজা খুলতে সামনে চলে এসেছে নতুন অধ্যায়। ২৫ বছর আগে ‘দিল চাহতা হ্যায়’ যদি প্রীতির কেরিয়ারের একটি মাইলফলক হয়ে থাকে, তবে অভিনেত্রীর বিশ্বাস ‘বঁটওয়ারা ১৯৪৭’ও একটি গুরুত্বপূর্ণ ছবি হয়ে উঠবে।
২০০১ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবিটি তিন বন্ধুর আলাদা হয়ে যাওয়ার গল্প বলেছিল। ২০২৬ সালে তার রজতজয়ন্তীর অনুষ্ঠানেও প্রীতি থাকতে পারলেন না। তবে এইবার বন্ধুত্ব ভাঙেনি— শুধু কাজের কারণে তাদের সাথে যোগ দিতে পারলেন না। আর সেই ‘বিচ্ছেদ’-এর দায়ও তিনি হাসতে হাসতে আমিরের ঘাড়ে চাপিয়ে দিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন