প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ডিপফেক ভিডিও, বিকৃত ছবি, ভুয়া বিজ্ঞাপন কিংবা এআই দিয়ে তৈরি নকল পরিচয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে পড়ছেন তারকারা। এবার সেই অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সরাসরি আইনি লড়াইয়ে নামলেন বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতা।
নিজের ব্যক্তিত্বের অধিকার রক্ষা করতে গুগল, মেটা, এক্সসহ একাধিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমতি পেয়েছেন অভিনেত্রী। আদালতের বম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি অভয় আহুজা প্রীতির এই আবেদন মঞ্জুর করেছেন।
প্রীতির অভিযোগ, তার ছবি, ভিডিও, কণ্ঠস্বর এবং ডিজিটাল পরিচয় অনুমতি ছাড়াই ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে শুধু তার সুনামই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না, লঙ্ঘিত হচ্ছে তার ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক অধিকারও। তিনি ১৯৫৭ সালের ভারতীয় কপিরাইট আইনের আওতায় এই সুরক্ষা দাবি করেছেন।
অন্যদিকে, আদালতে অভিনেত্রীর আইনজীবী জানিয়েছেন, প্রীতির নামে তৈরি করা হয়েছে ভুয়া ‘এআই চ্যাটবট পার্সোনা’, যা সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী, এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের কারণে তারকাদের ডিজিটাল পরিচয় রক্ষা করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। ডিপফেক ও এআই-নির্ভর প্রতারণার কারণে যেমন তারকারা ঝুঁকিতে পড়ছেন, তেমনি বিভ্রান্ত হচ্ছেন সাধারণ ব্যবহারকারীরাও।
আইনের এই লড়াইয়ে প্রীতি জিনতা একা নন। গত কয়েক বছরে কার্তিক আরিয়ান, শত্রুঘ্ন সিনহা, শিল্পা শেঠি, অক্ষয় কুমার, সুনীল শেঠি এবং অরিজিৎ সিংয়ের মতো তারকারাও বম্বে হাইকোর্টে গিয়ে নিজেদের ‘পার্সোনালিটি রাইটস’ সুরক্ষায় আইনি স্বস্তি পেয়েছেন।
প্রযুক্তির অগ্রগতি যেমন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে, তেমনি এটি তৈরি করছে নতুন চ্যালেঞ্জও। সেই বাস্তবতায় প্রীতি জিনতার এই আইনি পদক্ষেপ একমাত্র একজন তারকার লড়াই নয়, বরং এটি ডিজিটাল যুগে ব্যক্তিগত পরিচয় ও স্বত্ব রক্ষার প্রশ্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন