প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এল নিনোর আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট খরার প্রভাবে শুক্রবার থেকে পানামা খালে জাহাজ চলাচলের সংখ্যা কমানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
পানামা খাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, খালের পানির প্রধান উৎস হিসেবে ব্যবহৃত দুটি কৃত্রিম হ্রদের পানির স্তর কমে যাওয়ার কারণে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে প্রতিদিন জাহাজ চলাচলের অনুমোদিত সংখ্যা ধীরে ধীরে হ্রাস করা হবে। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে প্রতিদিন ৩৬টি জাহাজের পরিবর্তে ৩২টি জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।
এল নিনোর প্রভাবে পানামা সরকার দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে তৈরি হওয়া এই আবহাওয়া পরিস্থিতি বিশ্বজুড়ে বায়ুপ্রবাহ, বায়ুচাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন ঘটাচ্ছে এবং বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এ বছরের এল নিনো গত চার দশকে তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে শক্তিশালী হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এল নিনো এখনো সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়নি, তবে মধ্য আমেরিকায় এরই মধ্যে তীব্র খরা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতির কারণে হন্ডুরাস ও এল সালভাদরও জরুরি অবস্থার ঘোষণা করেছে।
বিশ্বের মোট সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহনের প্রায় ৫ শতাংশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের কনটেইনার পরিবহনের প্রায় ৪০ শতাংশ পানামা খালের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
পানির সংকট মোকাবিলার জন্য পানামা খাল কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে কিছু সংরক্ষণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে— বড় জাহাজগুলোর পানিতে নিমজ্জিত অংশের সর্বোচ্চ গভীরতা, অর্থাৎ ‘ড্রাফট’ কমিয়ে দেওয়া।
২০২৩ সালে এল নিনোর প্রভাবে পানামা খালে প্রতিদিন জাহাজ চলাচলের সংখ্যা কমিয়ে ২২টিতে নামাতে হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন