প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার বেশ কিছু দেশ। যুক্তরাজ্যে অভিবাসনবিরোধী আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিয়েছে যা নজর কাড়ছে। নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের রাজধানী বেলফাস্টে সংঘর্ষ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। অন্যদিকে, আলবেনিয়ায় ট্রাম্পের জামাতার রিসোর্ট প্রকল্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করছেন। মেক্সিকো সিটিতে বিভিন্ন দাবিতে বহু মানুষ মিছিল করেন। অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভের রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে বেলফাস্ট। ছুরিকাঘাতের ঘটনার পর প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু হলেও তা দ্রুত সহিংসতায় রূপ নেয়। মুখোশধারী বিক্ষোভকারীরা সড়ক অবরোধ করে এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় একাধিক গাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং কিছু দোকানে লুটপাটের ঘটনা ঘটে। সংখ্যালঘু ও অভিবাসী সম্প্রদায়ের বাড়ি ও দোকানও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। বেলফাস্টে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় লন্ডনেও বিক্ষোভ করেছেন কট্টর ডানপন্থি সমর্থকরা। মধ্য লন্ডনে প্রায় ৪০ জন বিক্ষোভকারী জড়ো হয়ে অভিবাসনবিরোধী স্লোগান দেন এবং সরকারের অভিবাসন নীতির সমালোচনা করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানায়ও বিক্ষোভ ঘটে। ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত বিতর্কিত রিসোর্ট প্রকল্পের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান তারা। পরিবেশবাদীদের দাবি, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শত শত হেক্টর প্রাকৃতিক সৈকত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ফিফা বিশ্বকাপ শুরুর আগে উত্তপ্ত মেক্সিকো সিটি। বেতন-ভাতা এবং শিক্ষা খাতের সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবিতে রাস্তায় হাজির হন শত শত শিক্ষক। শ্রমিক সংগঠন ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনদের পক্ষ থেকেও নতুন বিক্ষোভের ঘোষণা এসেছে। বলিভিয়ার লা পাজ ও পার্শ্ববর্তী এল আল্টোর মানুষও জরুরি অবস্থা ঘোষণার দাবিতে আন্দোলন করছেন। ৪০ দিনের বেশি অবরোধের কারণে খাদ্য, ওষুধ ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় আন্দোলন আরও তীব্র হয়েছে। প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো পাজ অবরোধের জন্য অবৈধ গোষ্ঠী ও মাদক চক্রের দায়ী করছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেস আন্দোলনকারীদের সমর্থন জানিয়ে আগাম নির্বাচনের দাবি তুলেছেন। স্পেনের বার্সেলোনায় পোপ লিও’র সফরে সরকারি তহবিল ব্যবহারের প্রতিবাদে কয়েক ডজন মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। ধর্মীয় এই নেতাকে রাষ্ট্রপ্রধানের মতো মর্যাদা দেয়ার সমালোচনা করে তারা রাস্তায় নেমেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন