প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইউক্রেনে সম্প্রতি চলমান হামলায় ব্রিটিশ তৈরি ড্রোন ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর মস্কো ‘পরিণতি’ ভোগ করার হুঁশিয়ারি প্রদান করেছে। এর প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম জানিয়েছেন, যুক্তরাজ্য ইউক্রেনকে ‘শতভাগ সমর্থন’ দিয়ে যাবে।
বিবিসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বার্নহাম বলেছেন, ‘আমরা সুসময়ের বন্ধু নই, ইউক্রেনের এই সংকটের মুহূর্তে আমরা তাদের পাশে থাকব এবং এতে কোনো পরিবর্তন হবে না।’
এর আগে যুক্তরাজ্যের রুশ দূতাবাস ব্রিটেনের বিরুদ্ধে ‘ইউক্রেন সংকটকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে উসকে দেওয়ার’ অভিযোগ এনে জানায় যে, ‘এই সংঘাতে তাদের সম্পৃক্ততা যত গভীর হবে... তত বেশি মূল্য তাদের চোকাতে হবে।’
ইউক্রেন রাশিয়ার রাজধানীসহ অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন অঞ্চলে হামলা জোরদার করেছে। বিশেষ করে তেল শোধনাগার এবং তাদের প্রধান ই-কর্মাস প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডবেরিজের লজিস্টিক সাইটগুলোকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে নির্বাচন করা হচ্ছে।
রাশিয়ার এই হুমকির বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বার্নহাম নিজের অবস্থানে অনড় থেকে বলেন, যুক্তরাজ্য মূলত ‘ইউক্রেনকে আত্মরক্ষার জন্য সহায়তা দিচ্ছে এবং এই সংঘাতের শুরু থেকে পূর্ববর্তী প্রধানমন্ত্রীদের মাধ্যমে নেওয়া ব্রিটিশ অবস্থান এটিই ছিল—আমার ক্ষেত্রেও এই নীতি অপরিবর্তিত রয়েছে।’
ইউক্রেনকে ড্রোন প্রযুক্তির পাশাপাশি স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের জন্য রাশিয়া এর আগেও যুক্তরাজ্যকে সতর্ক করেছিল। রুশ দূতাবাস জানিয়েছে, লন্ডনের এসব পদক্ষেপের কারণে অনিবার্যভাবে কিছু পরিণতি আসবে, যার জন্য তাদের জবাবদিহি করতে হবে। তবে মস্কো ঠিক কী ধরনের হুমকির কথা চিন্তা করছে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন