প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টাইফুন নউল বর্তমানে চীনের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে। এ কারণে প্রায় ২০ হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে রেল চলাচলও স্থগিত করা হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানিয়েছে।
চীনের জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে যে, শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে রোববার (২৬ জুলাই) সকালের মধ্যে হংকং থেকে গুয়াংডং প্রদেশ পর্যন্ত উপকূলীয় এলাকায় টাইফুনটি আঘাত হানতে পারে।
শনিবার, আবহাওয়া কেন্দ্র চার স্তরের সতর্কতা ব্যবস্থার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্তর ‘কমলা সতর্কতা’ বহাল রেখেছে। এর আগে সংস্থাটি জানিয়েছিল যে, গুয়াংডং এবং পার্শ্ববর্তী ফুজিয়ানে প্রবল ঝোড়ো বাতাস ও ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে যে, শুক্রবার রাত পর্যন্ত গুয়াংডং প্রদেশে ২০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে।
এছাড়া, সাগরে অবস্থিত মাছ ধরার নৌযানগুলো ঝড় থেকে নিরাপদে থাকতে বন্দরে ফিরে আসার খবরও পাওয়া গেছে সিসিটিভির মাধ্যমে।
সিসিটিভির প্রতিবেদন অনুসারে, শনিবার সকালে গুয়াংডংয়ে কয়েকটি ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। রোববার প্রদেশটির সব ট্রেন পরিষেবা স্থগিত থাকবে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে উল্লেখ করা হয়েছে, গুয়াংডং প্রদেশের চাওঝৌ শহরের স্কুলগুলোকে ক্যাম্পাসে সব ধরনের শিক্ষা এবং অন্যান্য কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এই মাসেই চীনের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে চরম আবহাওয়া ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটিয়েছে। গুয়াংশি অঞ্চলে টাইফুন মায়সাকের কারণে ভয়াবহ বন্যায় ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
মায়সাকের প্রভাবে মধ্যাঞ্চলীয় হুবেই প্রদেশে বজ্রঝড় এবং প্রবল বাতাসে আরও ১১ জন নিহত এবং ৩৩১ জন আহত হয়েছেন।
বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে জানাচ্ছেন যে, জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের কারণে পৃথিবীর উষ্ণতা বাড়তে থাকায় বিশ্বজুড়ে চরম আবহাওয়ার ঘটনা ক্রমশ ঘন এবং তীব্র হয়ে উঠতে পারে।
চীন বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকারী দেশের মর্যাদা অর্জন করেছে, কিন্তু নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে এটি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ শক্তি হিসেবে অবস্থান করছে। ২০৬০ সালের মধ্যে নিজেদের অর্থনীতিকে কার্বন-নিরপেক্ষ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে বেইজিং।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন