প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
‘হামার সরকারের মেয়াদ কেবল পাঁচ মাস। পাঁচ মাসে (রিপেয়্যার) সংস্কার করা যায়? আর ওমরা (আওয়ামী লীগ) গত ১৭ বছরে দেশটাক শ্যাষ করছে’, এ মন্তব্য করেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার কাচকোল এলাকায় নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে স্থানীয়দের উদ্দেশে এ কথা বলেন তিনি।
ভাঙন প্রতিরোধে সরকারের নেওয়া উদ্যোগ তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার চায় না একটি ঘর-বাড়ি যেন নদীতে বিলীন হোক। এ জন্য বন্যার পূর্বে আমরা ইমার্জেন্সি কাজ শুরু করেছি। যেহেতু আমি এই অঞ্চলের মানুষ, সে ক্ষেত্রে আমার টান বেশি।’
এছাড়া তিনি আরো বলেন, ‘ব্রহ্মপুত্রে যে দুটি প্রকল্প চলমান রয়েছে, একটি প্রায় ৯০০ কোটি, অপরটি ৮০০ কোটি টাকার। সেটি যদি আমরা ব্লক দিয়ে করতে পারি, তাহলে আর ভাঙন হবে না।’ তিনি জানান, জরুরি ভাঙন ঠেকাতে জিওব্যাগ এবং স্থায়ী প্রকল্পের জন্য ব্লকের কাজ শুরু হবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের দুর্নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বস্তা ফেলবে ১০০টা আর গুনবে ২০০টা সেই সুযোগ আর নেই। বস্তার ওজন কমানোর সুযোগ নেই। এগুলো আপনারা বুঝে বুঝে নেবেন। এগুলো প্রত্যেকটা জিনিস আপনাদের টাকায়। ইঞ্জিনিয়ার আর ঠিকাদারের ওপর ছেড়ে দেবেন না।’
এর আগে এদিন সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে চিলমারীর রমনা নৌঘাটে পৌঁছে তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী সংবাদিকদের বলেন, ‘ইতিমধ্যে টেকনিক্যাল কমিটি কাজ করেছে এবং দেশের বাইরে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এ বিষয়ে পরামর্শ করা হয়েছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাইলট প্রকল্প শুরু করা হবে।’
পরে নৌপথে চিলমারীর কাচকোল, উলিপুরের নামাজের চর, রৌমারীর সুখেরবাতি ও রাজিবপুরের কোদালকাটি ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, কুড়িগ্রাম-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুল আলম সালেহী, কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য সুরাইয়া জেরিন রনিসহ স্থানীয় বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন