প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার রজনীগঞ্জ (টানাখালী) খেয়াঘাট সংলগ্ন কালনী নদী থেকে পুলিশ এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে, যা ভাসমান অবস্থায় ছিল। প্রথমে মরদেহটিকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে উদ্ধার করা হলেও পরে স্বজনরা এসে তার পরিচয় শনাক্ত করেন। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত নারীর নাম লাকি বেগম (৩০)। তিনি দিরাই উপজেলার জগদল গ্রামের মৃত আব্দুস শহিদের মেয়ে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, লাকি বেগম কিছুদিন আগে শান্তিগঞ্জ উপজেলার শলপ গ্রামের একটি বাড়িতে গৃহকর্মীর কাজ নেন। তিনি ছিলেন সহজ-সরল প্রকৃতির। পরিবার সূত্রের দাবি, তার দুটি বিয়ে হয়েছিল, কিন্তু তিনি কোনো স্বামীর বাড়িতেই স্থায়ীভাবে বসবাস করতে পারেননি।
গত ৪-৫ দিন ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজ হওয়ার আগের দিন সন্ধ্যায়, যে বাড়িতে তিনি কাজ করতেন, সেখান থেকে তাকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। এই ঘটনায় গতকাল শান্তিগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে স্থানীয়রা কালনী নদীতে একটি নারীর মরদেহ ভাসতে দেখে দিরাই থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। খবর পেয়ে নিহতের স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি লাকি বেগমের বলে শনাক্ত করেন।
দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং পরে স্বজনদের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। এই ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
তবে লাকি বেগমের মৃত্যু কিভাবে হয়েছে এবং কেন তার মরদেহ কালনী নদীতে পাওয়া গেছে—এ বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন