প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রিপন মিয়া (৩৫) নামের এক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করতে গিয়ে তিন পুলিশ সদস্যের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসাসেবা সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রদান করা হয়েছে।
এটি সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বৈদ্যেরবাজার খেয়াঘাট এলাকায় ঘটেছিল। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে হামলার এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লার মেঘনা থানার কুদরত আলীর ছেলে রিপন মিয়া নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। সোমবার দুপুরে পুলিশ আসামির অবস্থান নিশ্চিত হয়ে বৈদ্যেরবাজারের খেয়াঘাট এলাকায় অভিযান শুরু করে। এ সময় পুলিশ রিপন মিয়াকে গ্রেফতার করে। কিন্তু আসামিকে ধরার সঙ্গে সঙ্গে তার সহযোগীরা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আসামিকে ছিনিয়ে নেয়।
এই ঘটনায় সোনারগাঁ থানার এসআই সুরুজ্জামান ও এএসআই হাসমত উল্লাহ আহত হন। পরে আহত এই দুই পুলিশ সদস্যকে সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান দিগন্ত জানান, বিকাল ৪টার দিকে দুজন পুলিশ সদস্য চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের নাম হাসমত উল্লাহ।
এএসআই হাসমত উল্লাহ হামলার ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, "আসামি ধরতে গেলে আসামিরা তো একটু দৌড়ঝাঁপ করবেই। আসামি ধরতে গেলে ওই আসামি দৌড়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে গেছেন। তবে আমাদের ওপর হামলার ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা।" তিনি বর্তমানে থানায় রয়েছেন।
এসআই সুরুজ্জামানও হামলার ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, "তারা তিনজন পুলিশ সদস্য বৈদ্যেরবাজার খেয়াঘাট এলাকায় দ্রুত বিচার মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় আসামি তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। তবে তাদের ওপর কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি।"
সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন জানান, পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। তিনি এ বিষয়ে জানেন না এবং ওসির সঙ্গে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করেছেন।
সোনারগাঁ থানার ওসি মহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, "একজন আসামিকে গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। তবে কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন