প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সময়ের সাথে বলিউডে নারীকেন্দ্রিক সিনেমার সংখ্যা বাড়লেও শিল্পে এখনও লিঙ্গবৈষম্য পুরোপুরি দূর হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। তিনি প্রকাশ্যে অভিযোগ তুলেছেন যে কাজের পরিবেশে পুরুষ ও নারী শিল্পীদের প্রতি ভিন্ন আচরণ এখনও বিদ্যমান।
একটি সাক্ষাৎকারে কৃতি শ্যানন জানান, মডেলিং, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং অভিনয়- এই সব ক্ষেত্রেই তার অভিজ্ঞতা রয়েছে; তবে বলিউডই তাকে সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। তার ভাষায়, ক্যারিয়ার শুরুর সময় বেশিরভাগ চলচ্চিত্রই ছিল নায়ককেন্দ্রিক, যেখানে নায়িকাদের চরিত্র সীমাবদ্ধ ছিল শুধুমাত্র প্রেমিকা হিসেবে। যদিও বর্তমান পরিস্থিতিতে কিছু উন্নতি হয়েছে এবং নারীদের জন্য শক্তিশালী চরিত্র লেখা হচ্ছে, তথাপি বৈষম্য পুরোপুরি দূর হয়নি।
কৃতি শ্যানন অভিযোগ করেছেন যে শুটিং সেটে নিজের চরিত্র বা দৃশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুললে সেটি অনেক সময় নেতিবাচকভাবে দেখা হয়। তিনি উল্লেখ করেন যে এই প্রশ্নগুলোর মাধ্যমে তার কাজের প্রতি আগ্রহ ও প্রস্তুতির প্রকাশ ঘটে।
তার ভাষায়, একজন নায়িকা যদি চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন করেন, তখন অনেকেই মন্তব্য করেন- আবার কত প্রশ্ন হলো। অথচ একই প্রশ্ন যদি একজন পুরুষ অভিনেতা করেন, তাহলে তাকে বলা হয় তিনি খুবই ডেডিকেটেড। তিনি আরও বলেন, একই রকমের মতামত বা বিশ্লেষণ প্রকাশ করলেও পুরুষ অভিনেতাদের ক্ষেত্রে তা গুরুত্বের সাথে নেওয়া হয়, কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে অনেক সময় তা উপেক্ষা করা হয়।
শুধু সৃজনশীল সিদ্ধান্তের বিষয় নয়, দৈনন্দিন শুটিং ব্যবস্থাপনাতেও পার্থক্য আছে বলে জানান কৃতি শ্যানন। তার দাবি, অনেক সময় পুরুষ অভিনেতাদের জন্য তুলনামূলকভাবে ভালো ঘর বা গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়। যদিও তিনি ব্যক্তিগত ভাবে বলেন যে এসব সুবিধা তার কাছে বড় কথা নয়।
তিনি আরও জানান, সহকারী পরিচালকরা প্রায়শই নারী শিল্পীদের আগে সেটে ডাকেন, কারণ পুরুষ তারকাদের অপেক্ষা করাতে তারা বেশি সংকোচ বোধ করেন। তার মতে, অনেক সময় অজান্তেই পুরুষ শিল্পীদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয় এবং নারী শিল্পীদের থেকে স্বাভাবিকভাবেই মানিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন