প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৫০টি দেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ ও ব্যবসায়িক ভিসা পেতে সর্বোচ্চ ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত জামানত (বন্ড) নেওয়ার নিয়মটি স্থায়ী করতে যাচ্ছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
অনলাইনে প্রকাশিত মার্কিন অফিশিয়াল রেকর্ড ‘ফেডারেল রেজিস্টার’-এর একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ৩ আগস্ট থেকে নতুন এই নিয়মটি চূড়ান্তভাবে কার্যকর হতে যাচ্ছে। এটি মূলত বি-১ (ব্যবসা) এবং বি-২ (পর্যটন) ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বি-১ ও বি-২ ভিসার আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে কনস্যুলার কর্মকর্তারা প্রয়োজন মনে করলে শর্ত হিসেবে সর্বনিম্ন ১০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত জমা দিতে বলতে পারবেন। ২০২৫ সালে চালু হওয়া এক বছরের পরীক্ষামূলক কর্মসূচিতে ৫ হাজার, ১০ হাজার বা সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ডলার জামানতের বিধান ছিল। তবে এবার চূড়ান্ত নীতিমালায় ৫ হাজার ডলারের সর্বনিম্ন সীমাটি বাদ দিয়ে শীর্ষ সীমা বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে থেকে যাওয়ার প্রবণতা কমাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত ৫০টি দেশের তালিকায় আফ্রিকার সিংহভাগ দেশের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়া থেকে বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের নাম রয়েছে।
তবে অভিবাসন অধিকারকর্মীরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তাদের মতে, এই অস্বাভাবিক অর্থ জামানত রাখার বাধ্যবাধকতা বৈধ উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণকে চরমভাবে নিরুৎসাহিত করবে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে তারা বর্ণভিত্তিক বৈষম্য এবং বৈষম্যমূলক নীতির অভিযোগ এনেছেন।
অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছে, জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং অবৈধ অবস্থানজনিত খরচ বাঁচাতে এই উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখছে। তবে নীতিটি শুধু অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বৈধভাবে প্রবেশের পথও দুর্গম করে তুলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন