প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ পরিবারের চার সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব কোতোয়ালি থানা থেকে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) মামলার নতুন তদন্তকারী কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিন্নাত আলী সাংবাদিকদের কাছে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
নতুন তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী বলেন, "প্রয়োজনে দেশজুড়ে চলবে আলামত পরীক্ষা ও তদন্ত।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, চাঞ্চল্যকর এই চার খুনের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে যা কিছু করা প্রয়োজন, তা করা হবে। তিনি জানান, "প্রয়োজনে আলামত পরীক্ষা ও তদন্তের স্বার্থে বাংলাদেশের যেখানে যেখানে যাওয়া দরকার, আমরা সেখানে যাব।"
তিনি আরও জানান, মামলার তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ করার প্রক্রিয়া চলছে এবং বুধবার (২৬ আগস্ট) সাংবাদিকদের জন্য একটি ভালো খবর আসতে পারে।
মহানগর পুলিশের সিদ্ধান্তের বিষয়ে ওসি জিন্নাত আলী বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাষ্ট্রপক্ষ মনে করেছেন, তাঁর দায়িত্ব দিলে তদন্ত আরও সুসংহত হবে। তিনি জানান, "দায়িত্ব পাওয়ার পরই প্রথম তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।" ঘটনার প্রথম দিন থেকেই তিনি ডিবির সদস্য হিসেবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন, তাই মামলার প্রাথমিক সূত্রগুলো তাঁর জানা রয়েছে।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে স্থানীয় লোকজন, গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামি সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধর পরিবারের সদস্য, সাক্ষী ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কথা বলা হয়েছে। সাধারণ মানুষের বিচার চাওয়ার আকুলতার বিষয়টি মাথায় রেখেই দ্রুততম সময়ে আদালতে সুষ্ঠু তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
গ্রেপ্তার দুই আসামির ১৬৪ ধারার জবানবন্দি প্রসঙ্গে নতুন আইও জানান, সাধারণত আদালতে অভিযুক্তরা নিজেদের বাঁচাতে অন্যদের ফাঁসানোর চেষ্টা করেন। তবে এই মামলায় তারা দুজনই নিরপেক্ষভাবে অপরাধে যুক্ত থাকার বিষয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন। পুলিশ যা প্রত্যাশা করেছিল, তার চেয়েও স্পষ্ট জবানবন্দি তারা দিয়েছেন।
তবে দুই আসামির দেওয়া বক্তব্যের বাইরেও চার হত্যাকাণ্ডে অন্য কোনো মাস্টারমাইন্ড বা সহযোগী জড়িত রয়েছে কি না, তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেন ডিবির এই কর্মকর্তা। তিনি সকালে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তদন্তের দিকনির্দেশনা গ্রহণ করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন