প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছে ফ্রান্স। এর ফলে দেশম জুগের সমাপ্তি ঘটেছে ফ্রান্সের। যদিও বিশ্বকাপ শেষে দল দেশে ফেরার পর জিনেদিন জিদানকে নতুন প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ফরাসি ফুটবল ফেডারেশনের দ্বারা।
ইতোমধ্যে জিদানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ইতালিয়ান ফুটবল সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো।
ট্রান্সফার মার্কেটের বিখ্যাত সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো দাবি করেছেন, গত বছরের নভেম্বর থেকেই জিদান এবং ফ্রান্স ফুটবল ফেডারেশনের মধ্যে মৌখিক সমঝোতা ছিল। অবশেষে সেই সমঝোতা এখন আনুষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে। চুক্তিটি দীর্ঘমেয়াদি বলেও জানিয়েছেন রোমানো।
রোমানো জানিয়েছেন, জিদান ফ্রান্স জাতীয় দলের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে ২০৩০ সালের জুন পর্যন্ত চুক্তিতে সই করেছেন। বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সের নতুন কোচ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হবে। এরপরই তিনি জাতীয় দলের দায়িত্বে কাজ শুরু করবেন।
রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক সফল কোচ জিদান এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলে একটি নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন। ফরাসি কিংবদন্তির এই দায়িত্ব নেওয়ার খবরটি ইতোমধ্যে ফুটবল অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
খেলোয়াড় হিসেবে জিদান ফ্রান্সকে ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ এবং ২০০০ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। এরপর কোচ হিসেবে রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসেও নিজের নামের স্বর্ণাক্ষরে লিখেছেন।
তার অধীনে রিয়াল মাদ্রিদ টানা তিনবার উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জেতে, যা আধুনিক ফুটবলে বিরল এক কীর্তি। রিয়াল মাদ্রিদ ছাড়ার পর কয়েক বছর ধরে কোনো ক্লাব বা জাতীয় দলের দায়িত্ব নেননি জিদান। তবে বিভিন্ন সময়ে ফ্রান্স জাতীয় দলের কোচ হওয়ার গুঞ্জন শোনা গেছে।
অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটল। যদিও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও হয়নি, তবে জিদানের অধীনে এখন নতুন যুগ শুরু করতে যাচ্ছে ফ্রান্স।
চলতি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টগুলো সামনে রেখে দল গঠন, নতুন খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়া এবং শিরোপার লড়াইয়ে ফ্রান্সকে ফিরিয়ে আনার বড় চ্যালেঞ্জ থাকবে কিংবদন্তি জিদানের সামনে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন