প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর ৪ নম্বর পিলারের কাছে নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকালে মাওয়া নৌ পুলিশ নিখোঁজ রাসেলের মরদেহ উদ্ধার করে।
এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল একজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন শরীফ ল্যান্ডমার্ক লিমিটেডের অফিস সহায়ক মো. মারুফ (৪০) এবং গাড়ি চালক মো. রাসেল (৪০)। মারুফের বাড়ি ঢাকার খিলগাঁওয়ে এবং রাসেলের বাড়ি বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার গুলশাখালী এলাকায়।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে শরীফ ল্যান্ডমার্ক লিমিটেডের আটজন কর্মী পদ্মা সেতুর ৪ নম্বর পিলারের কাছে নদীতে গোসল করতে নামেন। তাদের মধ্যে ছয় জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও মারুফ ও রাসেল নিখোঁজ হয়ে যান। ওই দিন দুপুর ২টা ২০ মিনিটে মুন্সীগঞ্জ ফায়ার স্টেশনে এ বিষয়ে খবর আসে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। মঙ্গলবার মারুফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর নিখোঁজ রাসেলের সন্ধানে অভিযান অব্যাহত ছিল।
মাওয়া নৌ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে পদ্মা সেতু থেকে পূর্ব দিকে প্রায় ৬ কিলোমিটার দূরে লৌহজংয়ের বড় নওপাড়া পুরাতন লৌহজং থানা জামে মসজিদের ১০০ মিটার পূর্বে পদ্মা নদীতে রাসেলের মরদেহ ভাসতে দেখা যায়। পরে মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মালেক খসরু খানের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা মরদেহ উদ্ধার করেন।
দুই জনের মরদেহ উদ্ধারের মাধ্যমে নিখোঁজদের সন্ধানে পরিচালিত উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে বলেও তিনি জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন