প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দুর্নীতির মামলা সংক্রান্ত সাক্ষ্যগ্রহণের প্রক্রিয়ায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে আরো এক সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। আদালত এই মুহূর্তে মামলায় ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করেছে।
গত ১ জুলাই আদালত ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করে।
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিটিএমসি বস্ত্র অধিদপ্তরের (কারিগরি) সহকারী পরিচালক মো. ফয়সাল কবির সাক্ষ্য প্রদান করেন। কিন্তু আসামি পলাতক থাকায় তার পক্ষে সাক্ষীর জেরা করা সম্ভব হয়নি। সাক্ষ্যগ্রহণের পর আদালত আগামী ১৭ আগস্ট পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছেন।
দুদকের পক্ষে আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আলাদা একটি ঘটনায় গত ৮ মার্চ আদালত মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। এরপর ৩ মে আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার আদেশ দেন।
২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। তদন্তের পর গত বছরের ৩০ নভেম্বর তিনি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
অভিযোগপত্র অনুযায়ী, বেনজীর আহমেদ তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা করেছেন। কিন্তু তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ উদ্ধার করা হয়েছে। ফলে তার মোট সম্পদের তথ্য ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকায় উঠে এসেছে।
অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, বেনজীর আহমেদের বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকার তথ্য পাওয়া গেছে। ব্যয় বাদে, তার নিট সঞ্চয় দাঁড়াচ্ছে ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। ফলে তিনি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন বলেও তদন্তে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, এসব অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করে তিনি বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর এবং রূপান্তর করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন