প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
এক রাতের মধ্যেই ইউক্রেনের ছোড়া ৬৬০টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। ২৬ জুন শুক্রবার, দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানান, যুদ্ধ শুরুর পরের সময়ে এটি ইউক্রেনের অন্যতম বৃহৎ দূরপাল্লার ড্রোন হামলা ঘটেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন হামলায় রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি, রাশিয়ার অভ্যন্তরে নিরাপত্তা উদ্বেগ ও জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে, উদ্বেগ দেখা দিয়েছে যে, মস্কো মিত্র দেশ বেলারুশকে এই যুদ্ধে আরো সক্রিয়ভাবে যুক্ত করার চেষ্টা করতে পারে।
সর্বশেষ ড্রোন হামলায় রাশিয়ার ১৩টি অঞ্চলের আকাশে ড্রোন প্রতিহত করার খবর জানিয়েছেন রুশ কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন ক্রিমিয়া উপদ্বীপ, কৃষ্ণ সাগর এবং আজভ সাগরের অঞ্চলগুলো অন্তর্ভুক্ত আছে।
রাশিয়ার তুলা অঞ্চলের গভর্নর দিমিত্রি মিলিয়ায়েভ জানিয়েছেন, ওই অঞ্চলে একটি ‘বৃহৎ’ ড্রোন হামলার ফলে একটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সেখানে একজন নারী আহত হয়েছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, মস্কো থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণে নোভোমস্কোভস্ক শহরের একটি শিল্পকারখানাও হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
রুশ সংবাদমাধ্যম অ্যাস্ট্রা জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাটি হল আজোট রাসায়নিক কারখানা। এর আগে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই কারখানাটিকে রাশিয়ার বিস্ফোরক উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে ইউক্রেন দ্রুত ড্রোন হামলা বৃদ্ধি করেছে। এই হামলাগুলোতে রাশিয়ায় জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে এবং সেনাবাহিনীর সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন