প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সুটিয়াকাঠী ইউনিয়নে জমি নিয়ে বিরোধের কারণে ইট, টয়লেটের স্লাব ও রিং ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে এবং এরপর পাশের পুকুরে ভাঙচুর করা সামগ্রী ফেলে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিকার এবং আইনগত সহায়তা চেয়ে নেছারাবাদ থানায় এক লিখিত আবেদন করেছেন ৬২ বছর বয়সী এক ব্যক্তি, যার নাম সামসুল হক।
রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে নেছারাবাদ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগটি থেকে জানা যায় যে, সুটিয়াকাঠী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. মিরাজ (৩৬), মোসা. পুতুল এবং মোসা. নুরুন্নাহারের সঙ্গে সামসুল হকের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। তিনি দাবি করেছেন যে, এই বিরোধীয় সম্পত্তির উপর তার সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে, যা তিনি ক্রয় সূত্রে অর্জন করেছেন। সামসুল হক অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন যে, গত ১৫ আগস্ট বিকেল আনুমানিক ৬টার দিকে অভিযুক্তরা আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে সাথে নিয়ে তার জায়গায় রাখা ইট, টয়লেটের স্লাব ও রিং ভাঙচুর করে ফেলেন এবং সেগুলো পাশের পুকুরে ফেলে দেন। এতে সামসুল হকের আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে, যা তিনি দাবি করছেন।
অভিযোগকারী বলেছেন যে, ঘটনার পর তিনি বিষয়টি জানতে চাইলে অভিযুক্তরা তার সাথে ঝগড়া ও গালিগালাজ করতে শুরু করে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এমনকি, জমির কাছে গেলে তাকে গুরুতর ক্ষতির হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে তার অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
সামসুল হকের দাবি, ঘটনার সময় নেছারাবাদ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও অভিযুক্তরা কারও কথা শুনতে রাজি হয়নি। তিনি ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মো. মিরাজ বলেছেন যে, অভিযোগগুলো তিনি অস্বীকার করেন এবং জামা নিয়ে সামসুল হকের সঙ্গে তাদের বিরোধ রয়েছে বলেও জানান। তবে, তিনি ইট, টয়লেটের স্লাব ও রিং ভাঙচুর কিংবা তাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবী করেছেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে আইন কার্যক্রম শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান মন্তব্য করেছেন যে, এই বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছেন। অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন