প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেত্রকোনায় পাওনা ৫০০ টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে মিলন মিয়া (৩৫) নামের এক যুবককে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার একটি ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর, অভিযুক্ত পাওনাদার এবং তার মাকে আটকে রেখে স্থানীয় জনতা পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
বুধবার (৩ জুন) দুপুর সময়ে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার দলপা ইউনিয়নের কান্দাপাড়া গ্রামে এই হত্যার ঘটনা ঘটে। নিহত মিলন মিয়া উক্ত এলাকার আমজাদ আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কান্দাপাড়া এলাকার মমিন মিয়ার ছেলে ইমন মিয়া (২০) প্রতিবেশী মিলন মিয়ার কাছে ৫০০ টাকা পেতেন। সকালে ইমনের মিলনের সঙ্গে দেখা হলে তিনি তার পাওনা টাকা চান। তখন তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়, তবে স্থানীয়রা তা মীমাংসা করে দেন।
কিন্তু দুপুরের পরে ইমন বাড়িতে গিয়ে তার মা হাদিয়া আক্তারকে (৪৫) নিয়ে মিলনের বাড়িতে আসে। এ সময় হাদিয়া আক্তারের হাতে একটি দা ছিল, যা কাজে ব্যবহৃত হয়। মিলনের বাড়িতে গিয়ে আবারও তাদের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে, ইমনের মায়ের হাতে থাকা দা দিয়ে মিলনের গলায় কোপ দেয়া হয়।
গলায় কোপ লাগার ফলে মিলন গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে ঘটনার পর স্থানীয় জনতা ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত মা ও ছেলেকে আটক করে একটি গাছের সাথে বেঁধে রাখে। পরে থানায় খবর দেয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাবাসীর নিকট থেকে তাদের গ্রেফতার করে। এমন ঘটনায় এলাকায় মানুষের মধ্যে দ্বিগুণ আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এ ব্যাপারে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
তবে নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) হাফিজুল ইসলাম এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এলাকায় পুলিশের গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে। আটক করা দুইজন বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে আছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন